নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪। গত বছর পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬। সারাদেশের সব বোর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হারের বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লা একটি । অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী ফেল। ইংরেজি, আইসিটি, উচ্চতর গণিত, একাউন্টিং ও রসায়নের ধাক্কায় এমন ফল বিপর্যয়।
এদিকে এবারও পাসের হার ও জিপিএ ৫ এ এগিয়ে মেয়েরা । ফলাফল বিবরণীতে উল্লেখ আছে, ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছিল ৯৫ হাজার ৯৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯২ হাজার ১৬২ জন। বহিষ্কার হয় ৬৯ জন। পাস করেছে ৪৪ হাজার ২৭২ জন। বোর্ডেও মোট পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪। মেয়েদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬, ছেলেদের ৪৩ দশমিক ১৭। বিজ্ঞানে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩। এর মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৬৬, ছেলেদের ৬১ দশমিক ০১।

মানবিকে পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৫। মেয়েদের পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৯ ও ছেলেদের ৩৩ দশমিক ৬৭। ব্যবসায় শিক্ষায় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭৩। মেয়েদের পাসের হার ৪৬ দশমিক ৮৭, ছেলেদের ৩৫ দশমিক ১৯।
জিপিএ৫ পেয়েছে এবার ১ হাজার ৩১৩ জন। মেয়ে ৮২১ জন, ছেলে ৪৯২জন।
গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭০৭ জন। এর মধ্যে মেয়ে ১ হাজার ৭৪৯ জন, ছেলে ৯৫৮ জন। বিজ্ঞানে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৭৫২ জন। এর মধ্যে মেয়ে ৯৬৭ জন ও ছেলে ৭৮৩ জন। মানবিকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৬৬ জন। এর মধ্যে মেয়ে ৪৮৮ জন ও ছেলে ৭৮ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৮৯ জন। এর মধ্যে মেয়ে ২৯৪ জন ও ছেলে ৯৫ জন ।
এ বছর চার কলেজে পাসের হার শতভাগ। ১৫ কলেজের সবাই ফেল।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও মেয়েরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ভালো ফল করায় পাসের হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি আছে। অন্যথায় সেটি আরও পেছনে থাকতো।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম বলেন, ইংরেজিসহ কয়েকটি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে এ অবস্থা।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪। গত বছর পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬। সারাদেশের সব বোর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হারের বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লা একটি । অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী ফেল। ইংরেজি, আইসিটি, উচ্চতর গণিত, একাউন্টিং ও রসায়নের ধাক্কায় এমন ফল বিপর্যয়।
এদিকে এবারও পাসের হার ও জিপিএ ৫ এ এগিয়ে মেয়েরা । ফলাফল বিবরণীতে উল্লেখ আছে, ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছিল ৯৫ হাজার ৯৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯২ হাজার ১৬২ জন। বহিষ্কার হয় ৬৯ জন। পাস করেছে ৪৪ হাজার ২৭২ জন। বোর্ডেও মোট পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪। মেয়েদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬, ছেলেদের ৪৩ দশমিক ১৭। বিজ্ঞানে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩। এর মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৬৬, ছেলেদের ৬১ দশমিক ০১।

মানবিকে পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৫। মেয়েদের পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৯ ও ছেলেদের ৩৩ দশমিক ৬৭। ব্যবসায় শিক্ষায় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭৩। মেয়েদের পাসের হার ৪৬ দশমিক ৮৭, ছেলেদের ৩৫ দশমিক ১৯।
জিপিএ৫ পেয়েছে এবার ১ হাজার ৩১৩ জন। মেয়ে ৮২১ জন, ছেলে ৪৯২জন।
গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭০৭ জন। এর মধ্যে মেয়ে ১ হাজার ৭৪৯ জন, ছেলে ৯৫৮ জন। বিজ্ঞানে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৭৫২ জন। এর মধ্যে মেয়ে ৯৬৭ জন ও ছেলে ৭৮৩ জন। মানবিকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৬৬ জন। এর মধ্যে মেয়ে ৪৮৮ জন ও ছেলে ৭৮ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৮৯ জন। এর মধ্যে মেয়ে ২৯৪ জন ও ছেলে ৯৫ জন ।
এ বছর চার কলেজে পাসের হার শতভাগ। ১৫ কলেজের সবাই ফেল।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও মেয়েরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ভালো ফল করায় পাসের হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি আছে। অন্যথায় সেটি আরও পেছনে থাকতো।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম বলেন, ইংরেজিসহ কয়েকটি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে এ অবস্থা।