নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জ্ঞান বাড়াও, সমাজ গড়ো’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান গত শনিবার অনুষ্ঠিত হয়।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল ও মীর কাসেদুল হক, গণবিদ্যাপীঠ কারিগরি ও বানিজ্যিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সামাদ, বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরীন আক্তার।
মো. মহিউদ্দিন লিটন বলেন, শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া মানে হলো একজন ব্যক্তিকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেওয়া। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করতে পারে, তার চিন্তাভাবনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। আমরা যা করব মনোযোগ দিয়ে করতে হবে ও কোয়ালিটি সময় নিশ্চিত করতে হবে।

মীর কাসেদুল হক বলেন, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনেও তোমাদের পাশে থাককে, তোমরা নিয়মিত স্কুলে আসবে, মিথ্যা কথা বলবেনা, শিক্ষক ও পিতামাতার কথামত চলবে।
মো. আবদুস সামাদ বলেন, শিক্ষা মানুষকে ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে শেখায়। মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে শেখায়। তোমরা ও উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের মঙ্গলে কাজ করবে। তোমাদের পাশে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনে থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক কাজী মো. ইকরামুল আলম, মো. খোরশেদ আলম, হুমায়ুন কবির খলিফা, সেলিম আহমেদ, এডভোকেট আশিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ মো. জাহিদ কাদেরী, অভিভাবক মৌসুমী আক্তার, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সদস্য ইব্রাহিম হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবদুল কাদের জিলানী, বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক জহিরুল হক, মোসা. বেলায়তুন্নেছা, শর্মিষ্ঠা পোদ্দার, লুৎফুন নাহার বেবী, জান্নাতুল নাঈমসহ সকল শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভা শেষে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে পেন্সিল, খাতা, কলম, জ্যামিতি বক্স, চিত্রাংকন খাতা, ড্রয়িং পেন্সিল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়াও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, কেরামবোর্ড, লুডু, দড়িলাফানি দেওয়া হয়।

‘জ্ঞান বাড়াও, সমাজ গড়ো’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান গত শনিবার অনুষ্ঠিত হয়।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল ও মীর কাসেদুল হক, গণবিদ্যাপীঠ কারিগরি ও বানিজ্যিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সামাদ, বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরীন আক্তার।
মো. মহিউদ্দিন লিটন বলেন, শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া মানে হলো একজন ব্যক্তিকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেওয়া। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করতে পারে, তার চিন্তাভাবনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। আমরা যা করব মনোযোগ দিয়ে করতে হবে ও কোয়ালিটি সময় নিশ্চিত করতে হবে।

মীর কাসেদুল হক বলেন, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনেও তোমাদের পাশে থাককে, তোমরা নিয়মিত স্কুলে আসবে, মিথ্যা কথা বলবেনা, শিক্ষক ও পিতামাতার কথামত চলবে।
মো. আবদুস সামাদ বলেন, শিক্ষা মানুষকে ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে শেখায়। মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে শেখায়। তোমরা ও উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের মঙ্গলে কাজ করবে। তোমাদের পাশে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনে থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক কাজী মো. ইকরামুল আলম, মো. খোরশেদ আলম, হুমায়ুন কবির খলিফা, সেলিম আহমেদ, এডভোকেট আশিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ মো. জাহিদ কাদেরী, অভিভাবক মৌসুমী আক্তার, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সদস্য ইব্রাহিম হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবদুল কাদের জিলানী, বারপাড়া রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক জহিরুল হক, মোসা. বেলায়তুন্নেছা, শর্মিষ্ঠা পোদ্দার, লুৎফুন নাহার বেবী, জান্নাতুল নাঈমসহ সকল শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভা শেষে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে পেন্সিল, খাতা, কলম, জ্যামিতি বক্স, চিত্রাংকন খাতা, ড্রয়িং পেন্সিল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়াও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, কেরামবোর্ড, লুডু, দড়িলাফানি দেওয়া হয়।