তিতাস প্রতিনিধি

‘প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে অনেক সর্তকতা অবলম্বন করতে হয়। মাটির কাঠামো থেকে শুরু করে তুলির শেষ আঁচড় পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমাদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়। যার শৈল্পিক জ্ঞান বেশি সে নিখুঁতভাবে দেবীর রূপকে জীবন্ত করে তোলে। বছরে জুড়ে ছোটখাটো কিছু কাজ হলেও দুর্গাপূজার এই সময়টাই আমাদের কাজের গতি বাড়ে। তারপরও বাবার পেশা হিসেবে এই পেশাকে বেছে নিয়েছি। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির কাজ করি।’ কুমিল্লার তিতাসের মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন মাঠের এক কোণে অস্থায়ী স্থাপনায় তুলির আঁচড় দিয়ে প্রতিমার রূপ ফুটিয়ে তোলার ফাঁকে কথাগুলো বলছিলেন সীমান্ত সাহা।
সীমান্ত প্রতিমা শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী সীমান্ত সাহা জানান, গত আড়াই মাস আগে এখানে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে ৭টি প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিদিন ৫-৬জন শ্রমিক এখানে কাজ করছেন। আকার ও কাজের ওপর নির্ভর করে প্রতিমা তৈরির দরদাম হয়। ক্ষেত্র বিশেষে এক একটি প্রতিমা ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্ডার নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে প্রতিমাগুলো স্ব-স্ব স্থানে পাঠানো হবে।
সুশান্ত পালের কাজে সহযোগিতা করছে তার একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে বাঁধন পাল। কথা হলে বাঁধন পাল জানান, তাদের কারখানায় ১০টি প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে তিতাসে ৪টি এবং মেঘনা, হোমনা, দেবীদ্বার ও মুরাদনগরের ৬টি। প্রায় দুই মাস আগে থেকে কাজ শুরু করেছি। বড়গুলো ১ লাখ টাকা করে অর্ডার নেওয়া। মাঝারি সাইজের প্রতিমাগুলো ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকায় অর্ডার নেওয়া হয়।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক জানান, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে পূজা উদযাপন পরিষদের একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি থানা পুলিশ ও আনসারগণ দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি মণ্ডপে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য থানা পুলিশের উদ্যোগে আলাদা সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহাম্মেদ মোফাচ্ছের জানান, ইতিমধ্যে প্রশাসন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মনিটরিং কমিটির গঠন করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা ওই ইউনিয়নের পূজামণ্ডপগুলোতেও দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভার মাধ্যমে সকল দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের অনুক‚লে সরকারি যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মণ্ডপে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

‘প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে অনেক সর্তকতা অবলম্বন করতে হয়। মাটির কাঠামো থেকে শুরু করে তুলির শেষ আঁচড় পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমাদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়। যার শৈল্পিক জ্ঞান বেশি সে নিখুঁতভাবে দেবীর রূপকে জীবন্ত করে তোলে। বছরে জুড়ে ছোটখাটো কিছু কাজ হলেও দুর্গাপূজার এই সময়টাই আমাদের কাজের গতি বাড়ে। তারপরও বাবার পেশা হিসেবে এই পেশাকে বেছে নিয়েছি। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির কাজ করি।’ কুমিল্লার তিতাসের মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন মাঠের এক কোণে অস্থায়ী স্থাপনায় তুলির আঁচড় দিয়ে প্রতিমার রূপ ফুটিয়ে তোলার ফাঁকে কথাগুলো বলছিলেন সীমান্ত সাহা।
সীমান্ত প্রতিমা শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী সীমান্ত সাহা জানান, গত আড়াই মাস আগে এখানে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে ৭টি প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিদিন ৫-৬জন শ্রমিক এখানে কাজ করছেন। আকার ও কাজের ওপর নির্ভর করে প্রতিমা তৈরির দরদাম হয়। ক্ষেত্র বিশেষে এক একটি প্রতিমা ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্ডার নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে প্রতিমাগুলো স্ব-স্ব স্থানে পাঠানো হবে।
সুশান্ত পালের কাজে সহযোগিতা করছে তার একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে বাঁধন পাল। কথা হলে বাঁধন পাল জানান, তাদের কারখানায় ১০টি প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে তিতাসে ৪টি এবং মেঘনা, হোমনা, দেবীদ্বার ও মুরাদনগরের ৬টি। প্রায় দুই মাস আগে থেকে কাজ শুরু করেছি। বড়গুলো ১ লাখ টাকা করে অর্ডার নেওয়া। মাঝারি সাইজের প্রতিমাগুলো ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকায় অর্ডার নেওয়া হয়।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক জানান, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে পূজা উদযাপন পরিষদের একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি থানা পুলিশ ও আনসারগণ দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি মণ্ডপে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য থানা পুলিশের উদ্যোগে আলাদা সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহাম্মেদ মোফাচ্ছের জানান, ইতিমধ্যে প্রশাসন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মনিটরিং কমিটির গঠন করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা ওই ইউনিয়নের পূজামণ্ডপগুলোতেও দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভার মাধ্যমে সকল দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের অনুক‚লে সরকারি যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মণ্ডপে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।