নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।
গত তিন বছরে ভারতীয় সীমান্তে বিজিবির এ দুই ব্যাটালিয়ন ২০ হাজার ২০০টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করেছে। এ সময় ৫২৬ জন আসামিকে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক রয়েছেন আরও প্রায় আড়াই শ আসামি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। জব্দ করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠান শেষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরাইল রিজিয়নের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সীমান্ত টহলও আরও জোরদার করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রাকিবুল হাসান, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ, র্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলমসহ আরো অনেকে।

কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।
গত তিন বছরে ভারতীয় সীমান্তে বিজিবির এ দুই ব্যাটালিয়ন ২০ হাজার ২০০টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করেছে। এ সময় ৫২৬ জন আসামিকে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক রয়েছেন আরও প্রায় আড়াই শ আসামি।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। জব্দ করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠান শেষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরাইল রিজিয়নের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সীমান্ত টহলও আরও জোরদার করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রাকিবুল হাসান, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ, র্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলমসহ আরো অনেকে।