নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওই সভা হয়।
জুলাই শহিদ আহত স্মৃতি সংস্থার ব্যানারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরে আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ওই সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের নির্বাচিত মেয়র বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য মনিরুল হক সাক্কু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম খান, আইনজীবী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ সহিদউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাহবুবুল হক খন্দকার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শরিফুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতিরন সভাপতি আব্দুর রহমান, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা মো. কবির হোসেন মজুমদার।
সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় যোদ্ধা। আওয়ামী লীগ তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করেছে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও দেয়া হয়নি। তাঁকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছে। জেল দিয়েছে। বিএনপির বছরের পর বছরের আন্দোলনের পর ছাত্র যুব শ্রমিক, সাধারণ মানুষ এককাট্রা হয়ে জুলাই আন্দোলন করেন। বিএনপি নেতা ও তাঁদের সন্তান ও স্বজনেরাও এই আন্দোলনকে বেগবান করে। এই কারণে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওই সভা হয়।
জুলাই শহিদ আহত স্মৃতি সংস্থার ব্যানারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরে আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ওই সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের নির্বাচিত মেয়র বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য মনিরুল হক সাক্কু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম খান, আইনজীবী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ সহিদউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাহবুবুল হক খন্দকার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শরিফুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতিরন সভাপতি আব্দুর রহমান, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা মো. কবির হোসেন মজুমদার।
সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় যোদ্ধা। আওয়ামী লীগ তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করেছে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও দেয়া হয়নি। তাঁকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছে। জেল দিয়েছে। বিএনপির বছরের পর বছরের আন্দোলনের পর ছাত্র যুব শ্রমিক, সাধারণ মানুষ এককাট্রা হয়ে জুলাই আন্দোলন করেন। বিএনপি নেতা ও তাঁদের সন্তান ও স্বজনেরাও এই আন্দোলনকে বেগবান করে। এই কারণে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।