কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে দুই পরীক্ষার্থী ফেল করার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রধান শিক্ষক আবদুল হাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
Thumbnail image

কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে দুই পরীক্ষার্থী ফেল করার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাফিজ। তাঁর মতে, লটারিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কারণে দুইজন অকৃতকার্য হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে কুমিল্লা জিলা স্কুল পাসের হারের শতভাগ ছিল। এবারই সেটিতে ছন্দপতন হলো।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জিলা স্কুল থেকে ৩৫৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩৫৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪৪। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে ৩২৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ৩২২ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩১ জন। বিজ্ঞানে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৮। ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৩১ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।

কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাফিজ স্বাক্ষরিত ফলাফল বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম ব্যাচ হলেও সুযোগ্য শিক্ষকগণের সর্বোচ্চ চেষ্টা, অভিভাবকগণের সক্রিয় সহযোগিতা সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের শেষ সময়ের মনোযোগ কুমিল্লা জিলা স্কুলের ফলাফলকে ক্ষুণœ করতে পারেনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২ জন পরীক্ষার্থী ২/১ বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষককে বাসায় পাঠিয়ে অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেও এদেরকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানো যায়নি। এই ২ জনের ১ জন নির্বাচনি পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ পেয়েছিল, অন্যজন মাঝারি মানের ছাত্র ছিলো। বোর্ডের ফলাফলে সঙ্গত কারণেই এই ২ জনকে ফেল ধরা হয়েছে এবং পাশের হার ৯৯ দশমিক ৪৪% দেখানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সকল বিষয়ে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর কেউ ফেল করেনি। এদিক থেকে শতভাগ পাশ ধরে নেওয়া যায়।

উল্লেখ্য যে, এ বছর মর্নিং শিফ্টের ৩ টি ও ডে শিফ্টের ৩ টিসহ মোট ৬ টি শাখার মধ্যে ২ টি শাখার শিক্ষার্থী ৫ম শ্রেণিতে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছিল। বাকি ৪ টি শাখার শিক্ষার্থীরা লটারিতে নির্বাচিত হয়ে ভর্তি হয়েছিল। অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী মেধার ভিত্তিতে এবং দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী লটারিতে নির্বাচিত হয়ে ভর্তি হয়েছিল।’

প্রধান শিক্ষক বলেন, আগামীতে এ প্রতিষ্ঠান আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত