রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
শিশু হত্যায় আগেও কারাগারে ছিলেন অভিযুক্ত লাইলী
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে হত্যাকাণ্ডের শিকার ফরিদা বেগমের মাথার অংশ পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা, হাত ও উরুর অংশ। পুলিশ বলছে, ফরিদাকে হত্যার পর চামড়া তুলে ফেলা হয়। তারপর বিকৃত করা হয় শরীরকে। এরপর টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরা হয়। ওই ঘটনায় গত শনিবার দিবাগত রাতে ফরিদার স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া(৭২) বাদী হয়ে আটক লাইলী বেগমসহ (৩৫) চারজনকে অভিযুক্ত করে দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার লাইলী আক্তার এর আগেও একটি শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে আসেন।
মামলায় অভিযুক্ত ৪ আসামি হলেন-দেবীদ্বার পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী মোসা. লাইলী বেগম (৩৫), একই বাড়ির জহিরুল ইসলামের ছেলে মো. আমির হোসেন (২৮), প্রয়াত ফারুক মিয়ার ছেলে মো. সোহেল(৩৫), প্রয়াত লিলু মিয়ার ছেলে মো. রবিউল ইসলাম(২৪)।
প্রতিবেশী আমেনা বেগম জানান, গত শুক্রবার ফরিদা বেগম গহনা পরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। ওই গহনা লুট করতেই ঘাতকরা এ হত্যাকাÐ চালাতে পারে বলে তিনি জানান।
মামলার বাদী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, আমি ঘটনার সময় চট্টগ্রামে কর্মস্থলে ছিলাম। গত ২২ জুলাই ঘাতক লাইলী বেগম আমার বাসার একটি কক্ষ মাসিক ১৬০০ টাকায় ভাড়া নেন। আমি বাসা মেরামত এবং স্ত্রীসহ ওমরাহ হজ পালনে ৭ লাখ টাকা পাঠাই। আমার ২ মেয়ে ও স্ত্রীর প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল। সেগুলো ঘরে নেই। তবে একটি আলমারির চাবি পাচ্ছি না। আলমারি খুলতে পারলেই জানা যাবে আর কি নেই। এদিকে আটক লাইলী বেগমকে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় লাইলী বেগম জানিয়েছেন, হত্যার সঙ্গে তিনি জড়িত নন, তবে তিনি লাশের মাংস ও হাড় খণ্ড খণ্ড করে কেটে প্যাকেটজাত করেছেন। আর বাকি লোকজন ওই গৃহবধূকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যাশেষে বাথরুমে নিয়ে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে আলাদা করেন। পরে সেগুলো পলিথিনে পুড়িয়ে বস্তাবন্দি করে ঘরের পেছনে একবস্তা রেখে বাকিগুলো কোথায় ফেলা হয়েছে তা তিনি জানেন না।
এদিকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, খুনিদের কে ডেকে এনেছে এবং ঘাতক দলের সংখ্যা আরো কেউ ছিল কি না- এ বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মুখ খুলছে না।
পুলিশ গতকাল রোববার দিনভর অভিযানে নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগমের বাসার পাশের ময়লার ভাগাড় থেকে এবং ঝোপঝাড় ও একটি পরিত্যক্ত ঘরের ড্রাম থেকে দেহের খণ্ডিত অংশের দুই পলিব্যাগ ভর্তি মাংস এবং নিহতের পরিধেয় কাপড় উদ্ধার করেন। এ সময় ভিডিও ফুটেজ দেখে একটি ড্রেন থেকে নিহতের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়।
গত শনিবার বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকার দেবীদ্বার দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসায় এ হত্যাকাÐটি সংঘটিত হয়।
হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে লাশ টুকরো টুকরো করে ১৪টি পলিথিনে প্যাকেট করে বস্তাবন্দী অবস্থায় ঘরের পেছনে ও অন্যত্র ফেলে রাখে ঘাতকরা। পাসহ কিছু অংশ এখনো উদ্ধারের বাকি রয়েছে।
ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভাড়াটিয়া লাইলী বেগমকে (৩৫) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পার্শ্ববর্তী বালুরমাঠে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে স্থানীয়রা। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগম নিজ বাসায় একা থাকতেন। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে তারা মোহনা আবাসিক এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। স্বামী মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া চট্টগ্রামে জাহাজে চাকরি করেন এবং দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বাড়িতে একাই বসবাস করতেন ফরিদা আক্তার। বাড়ির অন্য একটি ঘর ভাড়া দেওয়া হয় লাইলী আক্তরের নিকট। শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদা বেগমের লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় ঘরের পেছনে খুঁজে পান। তাদের একমাত্র ছেলে ইব্রাহীম খলিল ২০১০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
শনিবার সকাল থেকেই গৃহবধূ ফরিদা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফরিদা বেগম ডায়াবেটিসের কারণে প্রতিদিন মর্নিং ওয়ার্কে বের হতেন। তাই তার স্বজনেরা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি খুঁজে না পেয়ে মাইকিং করেন। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে পুলিশ জিডি নেয়নি বলেও তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। পরে বিকেলে ফরিদা বেগমের বোনের ছেলে মামুন বাসার পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খন্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
এর আগে লাইলী বেগম ২০২১ সালে ৭ নভেম্বর ভাসুর আমির হোসেনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। আপত্তিকর অবস্থায় আমির হোসেনের ৭ বছরের মেয়ে শিশু ফাহিমা দেখে ফেললে তাকে হত্যা করেন তারা। ফাহিমাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করে কাচিসাইর পুলের নিচে ফেলে আসা হয়। ওই বছরের ১৪ নভেম্বর তার বস্তাবন্দি গলিত লাশ পাওয়া যায়। ওই মামলায় লাইলী বেগমসহ ৫ জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও ৫ বছর পর জামিনে আসেন। লাইলীর স্বামী আবুল কালাম অন্যত্র বিয়ে করে ফেললে লাইলি ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আসামিরা পলাতক থাকায় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, জড়িত এবং লাশের অংশ বিশেষ গোপন করার তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। আটক লাইলী বেগমকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে কোর্টে পাঠিয়েছি। তিনি আরো বলেন, চেহারা বিকৃত করতে ঘাতকরা প্রথমে শরীরের চামড়া ছিলে পরে টুকরো করে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ডাস্টবিন থেকে মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়। তবে পা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমাদের একাধিক টিম নানামুখী অভিযানে নেমেছে। খুব শীঘ্রই সফল হব বলে আশা করছি।

দেবীদ্বারে হত্যাকাণ্ডের শিকার ফরিদা বেগমের মাথার অংশ পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি পা, হাত ও উরুর অংশ। পুলিশ বলছে, ফরিদাকে হত্যার পর চামড়া তুলে ফেলা হয়। তারপর বিকৃত করা হয় শরীরকে। এরপর টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরা হয়। ওই ঘটনায় গত শনিবার দিবাগত রাতে ফরিদার স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া(৭২) বাদী হয়ে আটক লাইলী বেগমসহ (৩৫) চারজনকে অভিযুক্ত করে দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার লাইলী আক্তার এর আগেও একটি শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে আসেন।
মামলায় অভিযুক্ত ৪ আসামি হলেন-দেবীদ্বার পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী মোসা. লাইলী বেগম (৩৫), একই বাড়ির জহিরুল ইসলামের ছেলে মো. আমির হোসেন (২৮), প্রয়াত ফারুক মিয়ার ছেলে মো. সোহেল(৩৫), প্রয়াত লিলু মিয়ার ছেলে মো. রবিউল ইসলাম(২৪)।
প্রতিবেশী আমেনা বেগম জানান, গত শুক্রবার ফরিদা বেগম গহনা পরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। ওই গহনা লুট করতেই ঘাতকরা এ হত্যাকাÐ চালাতে পারে বলে তিনি জানান।
মামলার বাদী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, আমি ঘটনার সময় চট্টগ্রামে কর্মস্থলে ছিলাম। গত ২২ জুলাই ঘাতক লাইলী বেগম আমার বাসার একটি কক্ষ মাসিক ১৬০০ টাকায় ভাড়া নেন। আমি বাসা মেরামত এবং স্ত্রীসহ ওমরাহ হজ পালনে ৭ লাখ টাকা পাঠাই। আমার ২ মেয়ে ও স্ত্রীর প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল। সেগুলো ঘরে নেই। তবে একটি আলমারির চাবি পাচ্ছি না। আলমারি খুলতে পারলেই জানা যাবে আর কি নেই। এদিকে আটক লাইলী বেগমকে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় লাইলী বেগম জানিয়েছেন, হত্যার সঙ্গে তিনি জড়িত নন, তবে তিনি লাশের মাংস ও হাড় খণ্ড খণ্ড করে কেটে প্যাকেটজাত করেছেন। আর বাকি লোকজন ওই গৃহবধূকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যাশেষে বাথরুমে নিয়ে শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে আলাদা করেন। পরে সেগুলো পলিথিনে পুড়িয়ে বস্তাবন্দি করে ঘরের পেছনে একবস্তা রেখে বাকিগুলো কোথায় ফেলা হয়েছে তা তিনি জানেন না।
এদিকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, খুনিদের কে ডেকে এনেছে এবং ঘাতক দলের সংখ্যা আরো কেউ ছিল কি না- এ বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মুখ খুলছে না।
পুলিশ গতকাল রোববার দিনভর অভিযানে নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগমের বাসার পাশের ময়লার ভাগাড় থেকে এবং ঝোপঝাড় ও একটি পরিত্যক্ত ঘরের ড্রাম থেকে দেহের খণ্ডিত অংশের দুই পলিব্যাগ ভর্তি মাংস এবং নিহতের পরিধেয় কাপড় উদ্ধার করেন। এ সময় ভিডিও ফুটেজ দেখে একটি ড্রেন থেকে নিহতের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়।
গত শনিবার বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকার দেবীদ্বার দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসায় এ হত্যাকাÐটি সংঘটিত হয়।
হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে লাশ টুকরো টুকরো করে ১৪টি পলিথিনে প্যাকেট করে বস্তাবন্দী অবস্থায় ঘরের পেছনে ও অন্যত্র ফেলে রাখে ঘাতকরা। পাসহ কিছু অংশ এখনো উদ্ধারের বাকি রয়েছে।
ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভাড়াটিয়া লাইলী বেগমকে (৩৫) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পার্শ্ববর্তী বালুরমাঠে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে স্থানীয়রা। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, নিহত গৃহবধূ ফরিদা বেগম নিজ বাসায় একা থাকতেন। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে তারা মোহনা আবাসিক এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। স্বামী মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া চট্টগ্রামে জাহাজে চাকরি করেন এবং দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বাড়িতে একাই বসবাস করতেন ফরিদা আক্তার। বাড়ির অন্য একটি ঘর ভাড়া দেওয়া হয় লাইলী আক্তরের নিকট। শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদা বেগমের লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় ঘরের পেছনে খুঁজে পান। তাদের একমাত্র ছেলে ইব্রাহীম খলিল ২০১০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
শনিবার সকাল থেকেই গৃহবধূ ফরিদা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফরিদা বেগম ডায়াবেটিসের কারণে প্রতিদিন মর্নিং ওয়ার্কে বের হতেন। তাই তার স্বজনেরা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি খুঁজে না পেয়ে মাইকিং করেন। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে পুলিশ জিডি নেয়নি বলেও তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। পরে বিকেলে ফরিদা বেগমের বোনের ছেলে মামুন বাসার পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খন্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
এর আগে লাইলী বেগম ২০২১ সালে ৭ নভেম্বর ভাসুর আমির হোসেনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। আপত্তিকর অবস্থায় আমির হোসেনের ৭ বছরের মেয়ে শিশু ফাহিমা দেখে ফেললে তাকে হত্যা করেন তারা। ফাহিমাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করে কাচিসাইর পুলের নিচে ফেলে আসা হয়। ওই বছরের ১৪ নভেম্বর তার বস্তাবন্দি গলিত লাশ পাওয়া যায়। ওই মামলায় লাইলী বেগমসহ ৫ জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও ৫ বছর পর জামিনে আসেন। লাইলীর স্বামী আবুল কালাম অন্যত্র বিয়ে করে ফেললে লাইলি ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আসামিরা পলাতক থাকায় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, জড়িত এবং লাশের অংশ বিশেষ গোপন করার তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। আটক লাইলী বেগমকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে কোর্টে পাঠিয়েছি। তিনি আরো বলেন, চেহারা বিকৃত করতে ঘাতকরা প্রথমে শরীরের চামড়া ছিলে পরে টুকরো করে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ডাস্টবিন থেকে মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়। তবে পা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমাদের একাধিক টিম নানামুখী অভিযানে নেমেছে। খুব শীঘ্রই সফল হব বলে আশা করছি।