নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা কাপ্তানবাজার ব্যাপারী পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা আবু কাউছার হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৌহিদুল ইসলাম (৪৩) ও তানজিল ইসলাম (৪৭) কে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বাড়ি পাঁচথুবী ইউনিয়নের নন্দীরবাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে পৃথক অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিহত ব্যক্তির বন্ধু শামীম হোসেনের ভাষ্য, জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে শুক্রবার তাদের ডেকে নেন তৌহিদ। সেখানে পৌঁছানোর পর তৌহিদের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো দা দিয়ে কাউসারের গলা ও ঘাড়ে কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে কুমিল্লা নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নূরপুর এলাকা থেকে তৌহিদকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে মারধর করে। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। একই রাতে তার বড় ভাই তানজিলকে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, তৌহিদ ও তানজিলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শনিবার বাদ জানাজার পর মামলা করার কথা জানিয়েছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আটক করতে অভিযান চলছে।
নিহতের বন্ধু শামীম হোসেনের সঙ্গে নন্দীবাজার এলাকার তৌহিদ ও তানজিলের ছত্রখিল এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শামীমের দাবি, তিনি জমিটি কিনেছিলেন। কিন্তু জমির দখল নিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। তার অভিযোগ, কেনা জমিতে প্রবেশের পথ বন্ধ করে সামনের মসজিদের খাস জায়গা দখল করে কফিশপ চালাচ্ছিলেন তৌহিদরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল।
শামীমের ভাষ্য, বিরোধ মীমাংসার কথা বলে শুক্রবার তাদের ডেকে নেন তৌহিদ। শামীম, কাউসারসহ তিন থেকে চারজন একটি অটোরিকশায় ঘটনাস্থলে যান। তাদের পেছনে আরেকটি অটোরিকশায় আরও কয়েকজন আসছিলেন। তবে কাউসারকে বহনকারী অটোরিকশাটি আগে পৌঁছে যায়।
এরপরই তৌহিদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন শামীম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৌহিদ ধারালো দা দিয়ে কাউসারের গলা ও ঘাড়ে কোপ দেন। এতে গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে তৌহিদ ও তানজিলসহ চারজন পালিয়ে যান বলে তিনি দাবি করেন।
আবু কাউছারের বড় ভাই কবির হোসেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। তাঁরা সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর অনুসারী।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা কাপ্তানবাজার ব্যাপারী পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা আবু কাউছার হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৌহিদুল ইসলাম (৪৩) ও তানজিল ইসলাম (৪৭) কে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বাড়ি পাঁচথুবী ইউনিয়নের নন্দীরবাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে পৃথক অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিহত ব্যক্তির বন্ধু শামীম হোসেনের ভাষ্য, জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে শুক্রবার তাদের ডেকে নেন তৌহিদ। সেখানে পৌঁছানোর পর তৌহিদের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো দা দিয়ে কাউসারের গলা ও ঘাড়ে কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে কুমিল্লা নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নূরপুর এলাকা থেকে তৌহিদকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে মারধর করে। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। একই রাতে তার বড় ভাই তানজিলকে আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, তৌহিদ ও তানজিলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শনিবার বাদ জানাজার পর মামলা করার কথা জানিয়েছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আটক করতে অভিযান চলছে।
নিহতের বন্ধু শামীম হোসেনের সঙ্গে নন্দীবাজার এলাকার তৌহিদ ও তানজিলের ছত্রখিল এলাকার একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শামীমের দাবি, তিনি জমিটি কিনেছিলেন। কিন্তু জমির দখল নিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। তার অভিযোগ, কেনা জমিতে প্রবেশের পথ বন্ধ করে সামনের মসজিদের খাস জায়গা দখল করে কফিশপ চালাচ্ছিলেন তৌহিদরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল।
শামীমের ভাষ্য, বিরোধ মীমাংসার কথা বলে শুক্রবার তাদের ডেকে নেন তৌহিদ। শামীম, কাউসারসহ তিন থেকে চারজন একটি অটোরিকশায় ঘটনাস্থলে যান। তাদের পেছনে আরেকটি অটোরিকশায় আরও কয়েকজন আসছিলেন। তবে কাউসারকে বহনকারী অটোরিকশাটি আগে পৌঁছে যায়।
এরপরই তৌহিদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন শামীম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৌহিদ ধারালো দা দিয়ে কাউসারের গলা ও ঘাড়ে কোপ দেন। এতে গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে তৌহিদ ও তানজিলসহ চারজন পালিয়ে যান বলে তিনি দাবি করেন।
আবু কাউছারের বড় ভাই কবির হোসেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি। তাঁরা সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর অনুসারী।