নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা- ৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি তাঁর ফেসবুক পেইজে গতকাল বলেছেন,
দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে লিখছি। প্রিয় নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেত্রী আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
আমি আমার ৬৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য নেতৃত্ব দেখেছি। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার মতো দৃঢ়চেতা আপোষহীন নেত্রী আমি দেখিনি। তাঁর আপোষহীনতা, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য কারাবরণ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
দেশনেত্রীর আমন্ত্রণে ২০০১ সালে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করি। আমি বলেছি আমার এলাকা সুয়াগাজী মাঠে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিবো, আপনাকে সেখানে আসতে হবে।
তিনি সুয়াগাজী স্কুল মাঠে আসলেন, লক্ষাধিক নেতাকর্মী সমেত নেত্রীর হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেই।
যোগদানের পর থেকে ম্যাডাম খালেদা জিয়া ও দল আমাকে যে সম্মান দিয়েছে তার জন্য আমি ম্যাডামের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
বেগম জিয়ার প্রয়াণ যেনো মহাকালের বিদায়। জাতি হারালো এক অভিভাবককে। এ অভাব জাতির জন্য অপূরণীয়। তিনি চলে গেলেও রেখে গেছেন জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের এক অমূল্য আদর্শ। যে আদর্শ ধারন করে দেশের কল্যাণে তিনি কোনদিন কোন দৈব শক্তির কাছে আপোষ করেননি। এ আদর্শ আজ ছড়িয়ে পরেছে সমগ্র দেশে। এ আদর্শে বলিয়ান হয়ে আজ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ দলে পরিনত হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অল্প বয়সে বাবাকে হারিয়েছেন, নির্বাসনে থেকে প্রিয় সহোদরকে হারিয়েছেন, আজ তিনি হারালেন প্রাণপ্রিয় মমতাময়ী মা কে। যে মা জাতির মা, গণতন্ত্রের মা।
জনাব তারেক আজ একা নন, তাঁর সাথে রয়েছে সমগ্র জাতির দোয়া ও সমর্থন। নির্যাতন সহ্য করে,স্বজনদের হারিয়ে তিনি পরশপাথর হয়ে গিয়েছেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্ব দেখার জন্য জাতি মুখিয়ে রয়েছে। আল্লাহ জনাব তারেক রহমানকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।
বরকতময় ফজরের সালাতের পর স্নিগ্ধ ভোরে আজ আমাদের একা রেখে রেখে চলে গেলেন। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেনো আমাদের প্রিয় নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।
আমিন।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা- ৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি তাঁর ফেসবুক পেইজে গতকাল বলেছেন,
দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে লিখছি। প্রিয় নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেত্রী আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
আমি আমার ৬৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য নেতৃত্ব দেখেছি। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার মতো দৃঢ়চেতা আপোষহীন নেত্রী আমি দেখিনি। তাঁর আপোষহীনতা, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য কারাবরণ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
দেশনেত্রীর আমন্ত্রণে ২০০১ সালে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করি। আমি বলেছি আমার এলাকা সুয়াগাজী মাঠে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিবো, আপনাকে সেখানে আসতে হবে।
তিনি সুয়াগাজী স্কুল মাঠে আসলেন, লক্ষাধিক নেতাকর্মী সমেত নেত্রীর হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেই।
যোগদানের পর থেকে ম্যাডাম খালেদা জিয়া ও দল আমাকে যে সম্মান দিয়েছে তার জন্য আমি ম্যাডামের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।
বেগম জিয়ার প্রয়াণ যেনো মহাকালের বিদায়। জাতি হারালো এক অভিভাবককে। এ অভাব জাতির জন্য অপূরণীয়। তিনি চলে গেলেও রেখে গেছেন জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের এক অমূল্য আদর্শ। যে আদর্শ ধারন করে দেশের কল্যাণে তিনি কোনদিন কোন দৈব শক্তির কাছে আপোষ করেননি। এ আদর্শ আজ ছড়িয়ে পরেছে সমগ্র দেশে। এ আদর্শে বলিয়ান হয়ে আজ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ দলে পরিনত হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অল্প বয়সে বাবাকে হারিয়েছেন, নির্বাসনে থেকে প্রিয় সহোদরকে হারিয়েছেন, আজ তিনি হারালেন প্রাণপ্রিয় মমতাময়ী মা কে। যে মা জাতির মা, গণতন্ত্রের মা।
জনাব তারেক আজ একা নন, তাঁর সাথে রয়েছে সমগ্র জাতির দোয়া ও সমর্থন। নির্যাতন সহ্য করে,স্বজনদের হারিয়ে তিনি পরশপাথর হয়ে গিয়েছেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্ব দেখার জন্য জাতি মুখিয়ে রয়েছে। আল্লাহ জনাব তারেক রহমানকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।
বরকতময় ফজরের সালাতের পর স্নিগ্ধ ভোরে আজ আমাদের একা রেখে রেখে চলে গেলেন। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেনো আমাদের প্রিয় নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।
আমিন।