নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সম্মিলিত নারী ফোরাম, দুর্বার নেটওয়ার্ক ও নারী পক্ষ, এডাব কুমিল্লা জেলা ও ম্যাক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উদ্যোগে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়।
সকাল ১০ টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নারীনেত্রী দিলনাশি মোহসেন, রোকেয়া বেগম শেফালী, মাহমুদা আক্তার, মাহমুদা আক্তার শেফালী, শামীমা আক্তার জাহান।
এদিকে প্রত্যয় সংস্থা কার্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১ টায় সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদা আক্তার বলেন, ১৮৫৭ সাল থেকেই নারীর সম অধিকার আদায় এর লড়াই শুরু হয়। পরবর্তীতে সারা বিশ্বে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সাল থেকে যথাযথ মর্যাদার সাথে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করে আসছে। কুমিল্লাতে ১৯৯৪ সাল থেকে বেসরকারিভাবে এই দিবসটি পালন করে আসছে। সকল নারী ও কন্যা শিশুর জন্য অধিকার সুবিচার প্রতিষ্ঠা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার নিয়ে এই বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে।
সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক ও গণ মাধ্যমে নারী বিদ্বেষী অবমাননাকর ও অসম্মানজনক শব্দচয়ন, যৌন নির্যাতন গণধর্ষণ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভাষার মাধ্যমে নারীর ব্যক্তিগত মর্যাদাকে আঘাত করা হচ্ছে। যা সমাজে বৈষম্য ঘৃণা ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়। সম্মিলিত নারী ফোরাম মনে করে ভাষা ই চিন্তার প্রতিফলন। তাই নারী বিদ্বেষী শব্দ ও বক্তব্যের বিরুদ্ধে এখনই সামাজিক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। নারীকে হেয় করে এমন শব্দ ব্যবহার শুধু অসভ্যতা নয় এটি মানবাধিকারের পরিপন্থী। আমরা সম্মানজনক ও সমতা ভিত্তিক ভাষা চর্চার দাবী জানাই। নারীসহ রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মর্যদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহিংসতা মুক্ত, দূনীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য আমাদের দাবী।

১) সরকারী বেসরকারি সকল পর্যায়ে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে নারীর প্রতি সকল প্রকার অসম্মানজনক, মর্যাদা হানিকর, অশ্লীল শব্দ, বাক্য, ভাষা ব্যবহার সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।
২) চলমান কাঠামোতে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের নীতিমালা লিখিত করুন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন।
৩) নারী সংসদ সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নারীসহ
সকল কর্মীকে রাজনৈতিক পারদর্শিতা অর্জনে প্রশিক্ষণ অত্যাবশ্যকীয় করুন।
৪) ০৫ মার্চ-২০২৬ আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী গত ১৩ মাসে ৭৭৬ জন নারী ও শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক ঘটনা থাকে যা আমাদের অজানা। রাষ্ট্র সমাজের সকল ক্ষেত্রে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৫) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ চালু করা।
৬) ইতিবাচক ও সম্মানজনক ভাষা ব্যবহারে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আমরা সকল নাগরিক, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানাই নারীর মর্যাদা রক্ষায় ভাষা, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল হই।
নারীর প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা মানেই একটি মানবিক ও সভ্য সমাজ গড়ে তোলা। আসুন নারী বিদ্বেষী শব্দ চয়ন, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, প্রতিবাদ করি এবং সম্মান ও সমতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা।
এতে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সম্মিলিত নারী ফোরাম, দুর্বার নেটওয়ার্ক ও নারী পক্ষ, এডাব কুমিল্লা জেলা ও ম্যাক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উদ্যোগে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়।
সকাল ১০ টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নারীনেত্রী দিলনাশি মোহসেন, রোকেয়া বেগম শেফালী, মাহমুদা আক্তার, মাহমুদা আক্তার শেফালী, শামীমা আক্তার জাহান।
এদিকে প্রত্যয় সংস্থা কার্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১ টায় সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদা আক্তার বলেন, ১৮৫৭ সাল থেকেই নারীর সম অধিকার আদায় এর লড়াই শুরু হয়। পরবর্তীতে সারা বিশ্বে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সাল থেকে যথাযথ মর্যাদার সাথে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করে আসছে। কুমিল্লাতে ১৯৯৪ সাল থেকে বেসরকারিভাবে এই দিবসটি পালন করে আসছে। সকল নারী ও কন্যা শিশুর জন্য অধিকার সুবিচার প্রতিষ্ঠা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার নিয়ে এই বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে।
সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক ও গণ মাধ্যমে নারী বিদ্বেষী অবমাননাকর ও অসম্মানজনক শব্দচয়ন, যৌন নির্যাতন গণধর্ষণ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভাষার মাধ্যমে নারীর ব্যক্তিগত মর্যাদাকে আঘাত করা হচ্ছে। যা সমাজে বৈষম্য ঘৃণা ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়। সম্মিলিত নারী ফোরাম মনে করে ভাষা ই চিন্তার প্রতিফলন। তাই নারী বিদ্বেষী শব্দ ও বক্তব্যের বিরুদ্ধে এখনই সামাজিক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। নারীকে হেয় করে এমন শব্দ ব্যবহার শুধু অসভ্যতা নয় এটি মানবাধিকারের পরিপন্থী। আমরা সম্মানজনক ও সমতা ভিত্তিক ভাষা চর্চার দাবী জানাই। নারীসহ রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মর্যদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহিংসতা মুক্ত, দূনীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য আমাদের দাবী।

১) সরকারী বেসরকারি সকল পর্যায়ে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে নারীর প্রতি সকল প্রকার অসম্মানজনক, মর্যাদা হানিকর, অশ্লীল শব্দ, বাক্য, ভাষা ব্যবহার সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।
২) চলমান কাঠামোতে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের নীতিমালা লিখিত করুন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন।
৩) নারী সংসদ সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নারীসহ
সকল কর্মীকে রাজনৈতিক পারদর্শিতা অর্জনে প্রশিক্ষণ অত্যাবশ্যকীয় করুন।
৪) ০৫ মার্চ-২০২৬ আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী গত ১৩ মাসে ৭৭৬ জন নারী ও শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক ঘটনা থাকে যা আমাদের অজানা। রাষ্ট্র সমাজের সকল ক্ষেত্রে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৫) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ চালু করা।
৬) ইতিবাচক ও সম্মানজনক ভাষা ব্যবহারে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আমরা সকল নাগরিক, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানাই নারীর মর্যাদা রক্ষায় ভাষা, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল হই।
নারীর প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা মানেই একটি মানবিক ও সভ্য সমাজ গড়ে তোলা। আসুন নারী বিদ্বেষী শব্দ চয়ন, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, প্রতিবাদ করি এবং সম্মান ও সমতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা।
এতে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।