• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> আদর্শ সদর

স্বস্তি নেই কুমিল্লার মাছের বাজারে দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা

মোহাম্মদ শরীফ
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪১
logo

স্বস্তি নেই কুমিল্লার মাছের বাজারে দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা

মোহাম্মদ শরীফ

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪১
Photo

কুমিল্লার মাছের বাজারে নেই স্বস্তি। আবারও সকল প্রকার মাছে কেজি প্রতি গড়ে বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ২২০ টাকা কেজির নিচে কোনো মাছই মিলছে না বাজারগুলোতে। এতে অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষজন। এছাড়া বাজারগুলোতে আগের তুলনায় মাছও আসছে অনেক কম। ক্রেতাদের নেই তেমন ভিড়। বেশি দামে মাছ কিনে অনেকটা দুশ্চিন্তায় মাছ ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মাছের খাবারের দামবৃদ্ধি, সরবরাহ কম থাকা ও অর্থনৈতিক মন্দার কথা বলছেন আড়তদাররা। তবে ইলিশ মাছের দাম গেল সপ্তাহের তুলনায় কমেছে আকার ভেদে কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা।

গতকাল সোমবার নগরের রাজগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশীয় উৎপাদিত মাছ ছাড়াও বাজারে এসেছে নদী, হাওড় ও সমুদ্রের মাছ। ক্রেতাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশীয় মাছ। বাজারে তেলাপিয়া ২৫০, রুই ৩৫০, পাঙাশ ২২০, পুঁটি ৬০০, শিং ৪০০, বাইম ৮০০, গুত্তুম ৮০০, টেংড়া ৭০০ থেকে ১০০০, কাতল ৭৫০, বোয়াল ৭০০-৮০০, সিলভার কার্প ২৬০, চিংড়ি আকাড় ভেদে ১০০০ থেকে ১৮০০, কই ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও আছে ইলিশ আকার ভেদে ১২০০ থেকে ৩২০০, পাবদা ৪০০, আইড়, রূপচাদা ১২০০, কোরাল ৬০০ থেকে ১০০০, লইট্টা ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

রাজগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাসুম মিয়া বলেন, বাজারে ক্রেতা আগের তুলনায় কম। মাছ আমরা বেশি দরে কিনে আনতে হচ্ছে। ২০-৩০ টাকা লাভে বিক্রি করে দিচ্ছি। বাজারে কিছুটা দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতাও কমে গেছে কিছুটা।

একই বাজারের ব্যবসায়ী রিপন মিয়া বলেন, নদী ও সমুদ্রের মাছ সব সময় একটু বেশি দাম থাকে। তবে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজিতে ২০০টাকা আগের বাজারের তুলনায়। মাছের বাজার খুব বেশি ভাল যাচ্ছে না। ক্রেতা তুলনামূলকভাবে কম কিনছেন মাছ।

রাজগঞ্জ বাজারের রাজশাহী মৎস্য আড়তের পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মাছ কম আসতেছে। পানি বৃদ্ধি হলে জালে কম মাছ আসে। এখানে মাছের চাহিদা বেশি, জোগান কম। তাই দাম কিছুটা বাড়তি। মাছের খাদ্যের দাম বেশি বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। মাছের দাম বাড়ার এটি একটি বড় কারণ।

চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ¥ীপুর, রাজশাহী, নাটোর, বরিশাল, শরিয়তপুর হাওড় অঞ্চল সুনামগঞ্জ ভৈরব সিলেট থেকে মাছ আসে কুমিল্লার রাজগঞ্জ বাজারে। এছাড়া কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপন্ন মাছও এই বাজারে পাওয়া যায়। প্রতিদিন বাজারে কোটি টাকারও বেশি মাছ বিক্রি হয়। সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে এই বাজার চলে রাত দশটা পর্যন্ত।

Thumbnail image

কুমিল্লার মাছের বাজারে নেই স্বস্তি। আবারও সকল প্রকার মাছে কেজি প্রতি গড়ে বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ২২০ টাকা কেজির নিচে কোনো মাছই মিলছে না বাজারগুলোতে। এতে অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষজন। এছাড়া বাজারগুলোতে আগের তুলনায় মাছও আসছে অনেক কম। ক্রেতাদের নেই তেমন ভিড়। বেশি দামে মাছ কিনে অনেকটা দুশ্চিন্তায় মাছ ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মাছের খাবারের দামবৃদ্ধি, সরবরাহ কম থাকা ও অর্থনৈতিক মন্দার কথা বলছেন আড়তদাররা। তবে ইলিশ মাছের দাম গেল সপ্তাহের তুলনায় কমেছে আকার ভেদে কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা।

গতকাল সোমবার নগরের রাজগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশীয় উৎপাদিত মাছ ছাড়াও বাজারে এসেছে নদী, হাওড় ও সমুদ্রের মাছ। ক্রেতাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশীয় মাছ। বাজারে তেলাপিয়া ২৫০, রুই ৩৫০, পাঙাশ ২২০, পুঁটি ৬০০, শিং ৪০০, বাইম ৮০০, গুত্তুম ৮০০, টেংড়া ৭০০ থেকে ১০০০, কাতল ৭৫০, বোয়াল ৭০০-৮০০, সিলভার কার্প ২৬০, চিংড়ি আকাড় ভেদে ১০০০ থেকে ১৮০০, কই ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও আছে ইলিশ আকার ভেদে ১২০০ থেকে ৩২০০, পাবদা ৪০০, আইড়, রূপচাদা ১২০০, কোরাল ৬০০ থেকে ১০০০, লইট্টা ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

রাজগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাসুম মিয়া বলেন, বাজারে ক্রেতা আগের তুলনায় কম। মাছ আমরা বেশি দরে কিনে আনতে হচ্ছে। ২০-৩০ টাকা লাভে বিক্রি করে দিচ্ছি। বাজারে কিছুটা দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতাও কমে গেছে কিছুটা।

একই বাজারের ব্যবসায়ী রিপন মিয়া বলেন, নদী ও সমুদ্রের মাছ সব সময় একটু বেশি দাম থাকে। তবে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজিতে ২০০টাকা আগের বাজারের তুলনায়। মাছের বাজার খুব বেশি ভাল যাচ্ছে না। ক্রেতা তুলনামূলকভাবে কম কিনছেন মাছ।

রাজগঞ্জ বাজারের রাজশাহী মৎস্য আড়তের পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মাছ কম আসতেছে। পানি বৃদ্ধি হলে জালে কম মাছ আসে। এখানে মাছের চাহিদা বেশি, জোগান কম। তাই দাম কিছুটা বাড়তি। মাছের খাদ্যের দাম বেশি বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। মাছের দাম বাড়ার এটি একটি বড় কারণ।

চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ¥ীপুর, রাজশাহী, নাটোর, বরিশাল, শরিয়তপুর হাওড় অঞ্চল সুনামগঞ্জ ভৈরব সিলেট থেকে মাছ আসে কুমিল্লার রাজগঞ্জ বাজারে। এছাড়া কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপন্ন মাছও এই বাজারে পাওয়া যায়। প্রতিদিন বাজারে কোটি টাকারও বেশি মাছ বিক্রি হয়। সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে এই বাজার চলে রাত দশটা পর্যন্ত।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

স্বস্তি নেই কুমিল্লার মাছের বাজারে দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা

২

বার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মামুন

৩

২৪ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি জন্মসনদ দিলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন

৪

দাউদকান্দিতে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা

৫

চৌদ্দগ্রামে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সম্পর্কিত

বার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মামুন

বার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মামুন

২ ঘণ্টা আগে
২৪ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি জন্মসনদ দিলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন

২৪ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি জন্মসনদ দিলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে
দাউদকান্দিতে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা

দাউদকান্দিতে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা

১৬ ঘণ্টা আগে
চৌদ্দগ্রামে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

চৌদ্দগ্রামে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

১৬ ঘণ্টা আগে