দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল খন্দকার। বিদ্যালয়ের মাঠে পাইপ স্থাপন করে পাশের খালে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সকালের অ্যাসেম্বলি, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে মাঠের বড় অংশ পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো।
সম্প্রতি বিদ্যালয়ের মাঠের জলাবদ্ধতা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রবাসী বাবুল খন্দকারের। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, প্রতিবেদনটি দেখে তিনি পানি নিষ্কাশনে উৎসাহী হন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না, এমনকি অ্যাসেম্বলিও করতে পারছে না-বিষয়টি তাঁকে ব্যথিত করে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের মাঠে পাইপ স্থাপনের কাজ করা হয়। এর মাধ্যমে মাঠের পানি পাশের খালে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি মাঠটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, অ্যাসেম্বলি, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন আমার শহরকে বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের সামনে মাছ চাষ করা হলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির সময় সেখানে পানি জমে যায়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের এলাকার ছেলেদেরও খেলাধুলায় অসুবিধা হয়। বিষয়টি তিনি উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। বাবুল খন্দকারের উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা, সকালের সমাবেশ ও অন্যান্য কার্যক্রম করতে পারছিল না। প্রবাসী বাবুল খন্দকার উদ্যোগ নিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল খন্দকার। বিদ্যালয়ের মাঠে পাইপ স্থাপন করে পাশের খালে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সকালের অ্যাসেম্বলি, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে মাঠের বড় অংশ পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো।
সম্প্রতি বিদ্যালয়ের মাঠের জলাবদ্ধতা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রবাসী বাবুল খন্দকারের। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, প্রতিবেদনটি দেখে তিনি পানি নিষ্কাশনে উৎসাহী হন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না, এমনকি অ্যাসেম্বলিও করতে পারছে না-বিষয়টি তাঁকে ব্যথিত করে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের মাঠে পাইপ স্থাপনের কাজ করা হয়। এর মাধ্যমে মাঠের পানি পাশের খালে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি মাঠটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, অ্যাসেম্বলি, শরীরচর্চা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন আমার শহরকে বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের সামনে মাছ চাষ করা হলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির সময় সেখানে পানি জমে যায়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের এলাকার ছেলেদেরও খেলাধুলায় অসুবিধা হয়। বিষয়টি তিনি উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। বাবুল খন্দকারের উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা, সকালের সমাবেশ ও অন্যান্য কার্যক্রম করতে পারছিল না। প্রবাসী বাবুল খন্দকার উদ্যোগ নিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।