কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান সংগঠন সন্ধানীর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপিপন্থী অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন অধ্যক্ষ তাইয়েবুলই। তিনি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে ফটোসেশনেও মিলিত হন।
এদিকে অধ্যক্ষের এমন তদন্ত কমিটি গঠন করায় বিস্ময়ে হতবাক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বিএনপিপন্থী চিকিৎসক, ছাত্রদল সমর্থিত সন্ধানীর সাবেক ও বর্তমান নেতারা।
তাঁদের ভাষ্য, অধ্যক্ষ নিজেই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন। আবার এই অনুষ্ঠান নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তাঁর সামনেই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য রেখেছেন। ওই অতিথিদের সঙ্গে তিনি অনুষ্ঠানের পর ছবিও তোলেন। তাঁর তো তদন্ত কমিটি করতে হয় না। তিনি নিজেই তো প্রতিবেদন দিতে পারেন।
তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি হলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সজিবুর রশিদ, সদস্য যথাক্রমে কলেজের অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদুর রহমান মজুমদার ও সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আমিনুল ইসলাম।
গঠিত কমিটিকে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সুষ্পষ্ট সুপারিশ ও মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। গত ১৪ জানুয়ারি ওই কমিটি হয়। আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়, গত ১০ জানুয়ারি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের নতুন অডিটোরিয়ামে এক্স সন্ধানীয়ান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট করেছে। এমতাবস্থায় এ ধরনের শৃঙ্খলা বহির্ভূত আচরণ সম্পর্কিত বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য কমিটি করা হয়।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম বলেন, আমি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কিন্তু আপনি তো এই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন, তাহলে আপনি কিভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এই প্রশ্নের তিনি কোন সদত্তর দিতে পারেননি।
উল্লেখ ওই অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কমিটির সভাপতি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সজিবুর রশিদও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যক্ষ মির্জ্জার এমন তদন্ত কমিটি নিয়ে কুমিল্লায় ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ নিজে সভাপতি ছিলেন। আবার যাঁকে তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তিনিও ছিলেন। সভাপতি হিসেবে অধ্যক্ষ মির্জ্জা রাজনৈতিক বক্তব্য থামিয়ে দিতে পারতেন। অথবা অনুষ্ঠানে অংশ না নিতেন।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান সংগঠন সন্ধানীর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপিপন্থী অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন অধ্যক্ষ তাইয়েবুলই। তিনি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে ফটোসেশনেও মিলিত হন।
এদিকে অধ্যক্ষের এমন তদন্ত কমিটি গঠন করায় বিস্ময়ে হতবাক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বিএনপিপন্থী চিকিৎসক, ছাত্রদল সমর্থিত সন্ধানীর সাবেক ও বর্তমান নেতারা।
তাঁদের ভাষ্য, অধ্যক্ষ নিজেই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন। আবার এই অনুষ্ঠান নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তাঁর সামনেই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য রেখেছেন। ওই অতিথিদের সঙ্গে তিনি অনুষ্ঠানের পর ছবিও তোলেন। তাঁর তো তদন্ত কমিটি করতে হয় না। তিনি নিজেই তো প্রতিবেদন দিতে পারেন।
তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি হলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সজিবুর রশিদ, সদস্য যথাক্রমে কলেজের অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদুর রহমান মজুমদার ও সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আমিনুল ইসলাম।
গঠিত কমিটিকে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সুষ্পষ্ট সুপারিশ ও মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। গত ১৪ জানুয়ারি ওই কমিটি হয়। আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়, গত ১০ জানুয়ারি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের নতুন অডিটোরিয়ামে এক্স সন্ধানীয়ান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট করেছে। এমতাবস্থায় এ ধরনের শৃঙ্খলা বহির্ভূত আচরণ সম্পর্কিত বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য কমিটি করা হয়।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মির্জ্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম বলেন, আমি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কিন্তু আপনি তো এই অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন, তাহলে আপনি কিভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এই প্রশ্নের তিনি কোন সদত্তর দিতে পারেননি।
উল্লেখ ওই অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কমিটির সভাপতি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সজিবুর রশিদও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যক্ষ মির্জ্জার এমন তদন্ত কমিটি নিয়ে কুমিল্লায় ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ নিজে সভাপতি ছিলেন। আবার যাঁকে তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তিনিও ছিলেন। সভাপতি হিসেবে অধ্যক্ষ মির্জ্জা রাজনৈতিক বক্তব্য থামিয়ে দিতে পারতেন। অথবা অনুষ্ঠানে অংশ না নিতেন।