দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রুবেল ও সাব্বির হত্যাসহ দুইটি হত্যা এবং শিক্ষার্থী আবু বকরকে হত্যাচেষ্টা মামলা, সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বার (৪২) কে গেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে কুমিল্লা আদালতে নেয়া হয়। আদালতের বিচারক আনিসকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
আনিসের বাড়ি উপজেলার রসুলপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের প্রয়াত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। আনিস রসূলপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রæয়ারি উপজেলার রসুলপুর বাজারে মো. মামুন (৩৫) নামের এক অটো ভ্যানচালককে তাঁর বাড়িতে ২ টি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে, অন্য জায়গায় ভাড়া থাকায় মামুন অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে আনিস মেম্বার ভ্যানচালক মামুনকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। এই ঘটনায় মামুনের স্ত্রী শারমিনের দায়ের করা মামলায় তাঁকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত আবু বকর হত্যাচেষ্টা মামলায়ও আসামি দেখিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আনিস মেম্বার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও সাব্বির হত্যা মামলাসহ ৯ টি মামলায় জামিনে আছেন।
মামলা তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আবুল হোসেন একজন অটো ভ্যান গাড়ির চালক। আনিস মেম্বার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোক। আনিস মেম্বার ও তাঁর লোকজনকে এলাকার লোকজন কোন কিছু বলার সাহস পায় না।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বার একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১০টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। তাঁর সাথে আবুবকর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার সন্দেহভাজন আসামীসহ সে ১১টি মামলার আসামী।

দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রুবেল ও সাব্বির হত্যাসহ দুইটি হত্যা এবং শিক্ষার্থী আবু বকরকে হত্যাচেষ্টা মামলা, সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বার (৪২) কে গেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে কুমিল্লা আদালতে নেয়া হয়। আদালতের বিচারক আনিসকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
আনিসের বাড়ি উপজেলার রসুলপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের প্রয়াত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। আনিস রসূলপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রæয়ারি উপজেলার রসুলপুর বাজারে মো. মামুন (৩৫) নামের এক অটো ভ্যানচালককে তাঁর বাড়িতে ২ টি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে, অন্য জায়গায় ভাড়া থাকায় মামুন অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে আনিস মেম্বার ভ্যানচালক মামুনকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। এই ঘটনায় মামুনের স্ত্রী শারমিনের দায়ের করা মামলায় তাঁকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত আবু বকর হত্যাচেষ্টা মামলায়ও আসামি দেখিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আনিস মেম্বার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও সাব্বির হত্যা মামলাসহ ৯ টি মামলায় জামিনে আছেন।
মামলা তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আবুল হোসেন একজন অটো ভ্যান গাড়ির চালক। আনিস মেম্বার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোক। আনিস মেম্বার ও তাঁর লোকজনকে এলাকার লোকজন কোন কিছু বলার সাহস পায় না।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বার একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১০টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। তাঁর সাথে আবুবকর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার সন্দেহভাজন আসামীসহ সে ১১টি মামলার আসামী।