নিজস্ব প্রতিবেদক

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৪ থেকে ১২১৭ এর মধ্যে চারজনের নাম আজ বুধবার পর্যন্ত জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চার মেধাবী মুখের সেরা হওয়ার গল্পও জানা গেছে।
তারা হলো কুমিল্লার দেবীদ্বারের মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের জাকিয়া সুলতানা ইভা (১২১৭), কুমিল্লা শহরের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আনিসা তাবাসসুম (১২১৫), কুমিল্লা জিলা স্কুলের সুহৃদ মিত্র রাজ (১২১৪) ও মোহাম্মদ জাহিদ হাসান জিসান (১২১৪)। তাদের স্কুলে রোল নম্বরও ছিল এক ও দুই।
দেবীদ্বারের শিক্ষক দম্পতির সন্তান জাকিয়া সুলতানা ইভা: ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৭ পেয়েছে জাকিয়া সুলতানা ইভা। কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেয় সে। ইভার স্কুলে রোল নম্বর ছিল এক।
দেবীদ্বারের জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বড় মেয়ে ইভা। তার মা শাহিনুর আক্তার ও বাবা দুজনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
জাকিয়া জানায়, ‘আমি কখনো বেশি একটা পড়িনি। মা-বাবাও লেখাপড়ার জন্য শাসন করেনি। চাপও দেননি। তবে পরীক্ষার আগে যতুটুকু পড়েছি, মন দিয়ে পড়েছি। বিশেষ করে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিনই শেষ করে ফেলতাম, কালকের জন্য জমিয়ে রাখিনি।’
ইভার ভাষ্য, ‘আমি এত ভালো ফল করব, এটা কোনো দিনও ভাবিনি। এর কৃতিত্ব প্রথমে আমার মা-বাবা ও আমার বিদ্যলয়ের শিক্ষকদের।
আসলে আমার আলাদা কোনো প্রিয় শিক্ষক নেই, বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকই আমার প্রিয়। শিক্ষকরা যদি আমাকে সহযোগিতা না করতেন, আমি কখনো এত ভালো রেজাল্ট করতে পারতাম না।’
নিজের স্বপ্ন প্রসঙ্গে ইভা বলে, ‘আমার অনেক ইচ্ছা, আমি একজন ডাক্তার হব। জানি এটা অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ, তবু আমাকে ডাক্তার হতেই হবে। ডাক্তার হয়ে প্রথমে আমি আমার গ্রামের মানুষের সেবা করব।
দেবীদ্বার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘ইভা ক্লাসেও অনেক পরিশ্রম করেছে। আমি আগেই টের পেয়েছি, সে ভালো কিছু করবে। তার এই সাফল্যে আমরা বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের এই স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ পথচলায় আরো বড় সাফল্যের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক দোয়া করছি।’
প্রবাসীর সন্তান নবাব ফয়জুন্নেছার আনিসা তাবাসসুম: এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে সব বিষয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে আনিকা তাবাসসুম। সে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৫ পেয়েছে। আনিকা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। পরিবারের ইচ্ছায় ভবিষ্যতে সে চিকিৎসক হতে চায়। স্কুলে দিবা শাখায় তার রোল নম্বর ছিল দুই।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদলে আনিকাদের বাড়ি। বাবার নাম মো. শাহাদাত হোসেন। মায়ের নাম জনি জান্নাত। তিন বোনের মধ্যে আনিকা সবার বড়। বাবা দুবাই প্রবাসী। কুমিল্লা নগরের পশ্চিম বাগিচাগাঁও এলাকায় তাদের ভাড়া বাসা।
আনিকা তাবাসসুম জানায়, প্রতিদিন আট থেকে নয় ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। এর বাইরে কুচকাওয়াজ ও যুব রেড ক্রিসেন্টে কাজ করতাম। আমার ইচ্ছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়া।
আনিকা জানায়, কলেজের পড়া আরও একমাস আগেই শুরু করে দিয়েছি। সার্বিক ফলের জন্য আনিকা শিক্ষক, বাবা-মা, দাদা-দাদী ও নানা-নানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কলেজ শিক্ষকের সন্তান কুমিল্লা জিলা স্কুলের সুহৃদ মিত্র রাজ: কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রভাতী শাখা থেকে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে শিক্ষার্থী সুহৃদ মিত্র রাজ। সে ১২১৪ নম্বর পেয়েছে। শ্রেণিকক্ষে তাঁর রোল নম্বর ছিল দুই।
সুহৃদ মিত্র রাজের পিতা সুমন মিত্র। তিনি বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
রাজ শুধু একাডেমিক ফলাফলেই নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সে সমানভাবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। রাজ চ্যানেল আই ও ইস্পাহানি মির্জাপুর চা কর্তৃক আয়োজিত ষষ্ঠ বর্ষের ‘সেরা বাংলাবিদ’ প্রতিযোগিতায়ও ভালো করার গৌরব অর্জন করে। ভবিষ্যতে সে প্রকৌশলী হতে চায়।
শারীরিক অসুস্থতা কাটিয়ে ভালো ফল কুমিল্লা জিলা স্কুলের জিসানের: শারীরিক অসুস্থতায় পাঁচ মাস বিছানায় ছিলেন জিসান। এরপরেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রমে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছে কুমিল্লা জিলা স্কুলের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাহিদ হাসান জিসান। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে মোট ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৪ নম্বর পেয়ে সে কুমিল্লা জিলা স্কুলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের গৌরব অর্জন করেছে।
কুমিল্লা শহরতলির কুচাইতলি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও তাসনিম জান্নাত দম্পতির সন্তান জিসান। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত জিলা স্কুলে রোল নম্বর এক ছিল তার। তবে এসএসসি পরীক্ষার আগে দশম শ্রেণিতে উঠে চরম অসুস্থতায় পড়ে তরুণ এই মেধাবী শিক্ষার্থী। অসুস্থতার কারণে ১২ মাসের মধ্যে প্রায় পাঁচ মাসই তাকে সম্পূর্ণ বেডরেস্টে থাকতে হয়।
ছেলের এই অসাধারণ অর্জনে আবেগাপ্লুত মা তাসনিম জান্নাত জানান, জিসানের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে তার পরীক্ষা দেওয়া নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছিল। পিঠের তীব্র ব্যথায় ভুগছিল সে। কিন্তু শারীরিক কষ্টের কাছে হার মানেনি জিসান। বেডরেস্টে থেকেও পড়াশোনা চালিয়ে গেছে এবং সব বিষয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে বুয়েটে পড়ে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন জিসানের। নিজের সাফল্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জিসান জানায়, এই ফলাফল নিয়ে সে অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও আনন্দিত। তার এই সাফল্যের পেছনে মা-বাবা এবং সহপাঠী-বন্ধুদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে সে সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৪ থেকে ১২১৭ এর মধ্যে চারজনের নাম আজ বুধবার পর্যন্ত জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চার মেধাবী মুখের সেরা হওয়ার গল্পও জানা গেছে।
তারা হলো কুমিল্লার দেবীদ্বারের মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের জাকিয়া সুলতানা ইভা (১২১৭), কুমিল্লা শহরের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আনিসা তাবাসসুম (১২১৫), কুমিল্লা জিলা স্কুলের সুহৃদ মিত্র রাজ (১২১৪) ও মোহাম্মদ জাহিদ হাসান জিসান (১২১৪)। তাদের স্কুলে রোল নম্বরও ছিল এক ও দুই।
দেবীদ্বারের শিক্ষক দম্পতির সন্তান জাকিয়া সুলতানা ইভা: ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৭ পেয়েছে জাকিয়া সুলতানা ইভা। কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেয় সে। ইভার স্কুলে রোল নম্বর ছিল এক।
দেবীদ্বারের জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বড় মেয়ে ইভা। তার মা শাহিনুর আক্তার ও বাবা দুজনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
জাকিয়া জানায়, ‘আমি কখনো বেশি একটা পড়িনি। মা-বাবাও লেখাপড়ার জন্য শাসন করেনি। চাপও দেননি। তবে পরীক্ষার আগে যতুটুকু পড়েছি, মন দিয়ে পড়েছি। বিশেষ করে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিনই শেষ করে ফেলতাম, কালকের জন্য জমিয়ে রাখিনি।’
ইভার ভাষ্য, ‘আমি এত ভালো ফল করব, এটা কোনো দিনও ভাবিনি। এর কৃতিত্ব প্রথমে আমার মা-বাবা ও আমার বিদ্যলয়ের শিক্ষকদের।
আসলে আমার আলাদা কোনো প্রিয় শিক্ষক নেই, বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকই আমার প্রিয়। শিক্ষকরা যদি আমাকে সহযোগিতা না করতেন, আমি কখনো এত ভালো রেজাল্ট করতে পারতাম না।’
নিজের স্বপ্ন প্রসঙ্গে ইভা বলে, ‘আমার অনেক ইচ্ছা, আমি একজন ডাক্তার হব। জানি এটা অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ, তবু আমাকে ডাক্তার হতেই হবে। ডাক্তার হয়ে প্রথমে আমি আমার গ্রামের মানুষের সেবা করব।
দেবীদ্বার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘ইভা ক্লাসেও অনেক পরিশ্রম করেছে। আমি আগেই টের পেয়েছি, সে ভালো কিছু করবে। তার এই সাফল্যে আমরা বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের এই স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ পথচলায় আরো বড় সাফল্যের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক দোয়া করছি।’
প্রবাসীর সন্তান নবাব ফয়জুন্নেছার আনিসা তাবাসসুম: এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে সব বিষয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে আনিকা তাবাসসুম। সে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৫ পেয়েছে। আনিকা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। পরিবারের ইচ্ছায় ভবিষ্যতে সে চিকিৎসক হতে চায়। স্কুলে দিবা শাখায় তার রোল নম্বর ছিল দুই।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদলে আনিকাদের বাড়ি। বাবার নাম মো. শাহাদাত হোসেন। মায়ের নাম জনি জান্নাত। তিন বোনের মধ্যে আনিকা সবার বড়। বাবা দুবাই প্রবাসী। কুমিল্লা নগরের পশ্চিম বাগিচাগাঁও এলাকায় তাদের ভাড়া বাসা।
আনিকা তাবাসসুম জানায়, প্রতিদিন আট থেকে নয় ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। এর বাইরে কুচকাওয়াজ ও যুব রেড ক্রিসেন্টে কাজ করতাম। আমার ইচ্ছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়া।
আনিকা জানায়, কলেজের পড়া আরও একমাস আগেই শুরু করে দিয়েছি। সার্বিক ফলের জন্য আনিকা শিক্ষক, বাবা-মা, দাদা-দাদী ও নানা-নানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কলেজ শিক্ষকের সন্তান কুমিল্লা জিলা স্কুলের সুহৃদ মিত্র রাজ: কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রভাতী শাখা থেকে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে শিক্ষার্থী সুহৃদ মিত্র রাজ। সে ১২১৪ নম্বর পেয়েছে। শ্রেণিকক্ষে তাঁর রোল নম্বর ছিল দুই।
সুহৃদ মিত্র রাজের পিতা সুমন মিত্র। তিনি বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
রাজ শুধু একাডেমিক ফলাফলেই নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সে সমানভাবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। রাজ চ্যানেল আই ও ইস্পাহানি মির্জাপুর চা কর্তৃক আয়োজিত ষষ্ঠ বর্ষের ‘সেরা বাংলাবিদ’ প্রতিযোগিতায়ও ভালো করার গৌরব অর্জন করে। ভবিষ্যতে সে প্রকৌশলী হতে চায়।
শারীরিক অসুস্থতা কাটিয়ে ভালো ফল কুমিল্লা জিলা স্কুলের জিসানের: শারীরিক অসুস্থতায় পাঁচ মাস বিছানায় ছিলেন জিসান। এরপরেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রমে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছে কুমিল্লা জিলা স্কুলের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাহিদ হাসান জিসান। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে মোট ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১৪ নম্বর পেয়ে সে কুমিল্লা জিলা স্কুলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের গৌরব অর্জন করেছে।
কুমিল্লা শহরতলির কুচাইতলি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও তাসনিম জান্নাত দম্পতির সন্তান জিসান। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত জিলা স্কুলে রোল নম্বর এক ছিল তার। তবে এসএসসি পরীক্ষার আগে দশম শ্রেণিতে উঠে চরম অসুস্থতায় পড়ে তরুণ এই মেধাবী শিক্ষার্থী। অসুস্থতার কারণে ১২ মাসের মধ্যে প্রায় পাঁচ মাসই তাকে সম্পূর্ণ বেডরেস্টে থাকতে হয়।
ছেলের এই অসাধারণ অর্জনে আবেগাপ্লুত মা তাসনিম জান্নাত জানান, জিসানের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে তার পরীক্ষা দেওয়া নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছিল। পিঠের তীব্র ব্যথায় ভুগছিল সে। কিন্তু শারীরিক কষ্টের কাছে হার মানেনি জিসান। বেডরেস্টে থেকেও পড়াশোনা চালিয়ে গেছে এবং সব বিষয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে বুয়েটে পড়ে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন জিসানের। নিজের সাফল্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জিসান জানায়, এই ফলাফল নিয়ে সে অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও আনন্দিত। তার এই সাফল্যের পেছনে মা-বাবা এবং সহপাঠী-বন্ধুদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে সে সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।