নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতীয় সীমান্তবর্তী কুমিল্লা সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের মতো জেলার সীমান্ত এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কাঁটাতারের বেড়ার কাছে বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন যানবাহন ও সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
লে. কর্নেল মীর আলী বলেছেন, যেসব এলাকা দিয়ে অতীতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। দ্বিগুণ করা হয়েছে টহল কার্যক্রম। যেসব এলাকা দিয়ে অতীতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে।
বিজিবি বলছে, প্রায় ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ কুমিল্লা সীমান্তের মধ্যে আদর্শ সদর ও চৌদ্দগ্রাম এলাকাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সীমান্তবাসীদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সীমান্তবর্তী কুমিল্লা সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের মতো জেলার সীমান্ত এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কাঁটাতারের বেড়ার কাছে বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি সন্দেহভাজন যানবাহন ও সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
লে. কর্নেল মীর আলী বলেছেন, যেসব এলাকা দিয়ে অতীতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। দ্বিগুণ করা হয়েছে টহল কার্যক্রম। যেসব এলাকা দিয়ে অতীতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে।
বিজিবি বলছে, প্রায় ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ কুমিল্লা সীমান্তের মধ্যে আদর্শ সদর ও চৌদ্দগ্রাম এলাকাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সীমান্তবাসীদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।