নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় চট্টগ্রামগামী বিরতিহীন সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন কাটা পড়ে দুই নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুইজন দাদি-নাতনি। দাদির নাম ঝরনা বেগম। অপরজনের নাম জানা যায়নি। ঝরনা বেগম মুরাদনগরের মো. রুকু মিয়ার মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনের ফুটওভার ব্রিজ থেকে ২০-৩০ ফুট সামনে রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন তারা। এ সময় দ্রুতগতির বিরতিহীন সুবর্ণ ট্রেনটি ঢুকে পড়লে দুইজনই দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন। তাঁরা একজনের হাত ধরে অন্যজন টানাটানি করতে থাকেন। একপর্যায়ে নাতনি রেললাইন থেকে সামান্য নিচে নেমে এলেও দাদি রেললাইনের মাঝেই থেকে যান। ট্রেনে মা সরাসরি কাটা পড়েন। মেয়ে নিহত হন ধাক্কা লেগে।
কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হাসান বলেন, দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে তাঁরা কেন কি উদ্দেশ্যে এখানে এসেছেন এবং রেললাইনে কেন হাঁটাহাঁটি করছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।

কুমিল্লায় চট্টগ্রামগামী বিরতিহীন সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন কাটা পড়ে দুই নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুইজন দাদি-নাতনি। দাদির নাম ঝরনা বেগম। অপরজনের নাম জানা যায়নি। ঝরনা বেগম মুরাদনগরের মো. রুকু মিয়ার মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনের ফুটওভার ব্রিজ থেকে ২০-৩০ ফুট সামনে রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন তারা। এ সময় দ্রুতগতির বিরতিহীন সুবর্ণ ট্রেনটি ঢুকে পড়লে দুইজনই দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন। তাঁরা একজনের হাত ধরে অন্যজন টানাটানি করতে থাকেন। একপর্যায়ে নাতনি রেললাইন থেকে সামান্য নিচে নেমে এলেও দাদি রেললাইনের মাঝেই থেকে যান। ট্রেনে মা সরাসরি কাটা পড়েন। মেয়ে নিহত হন ধাক্কা লেগে।
কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হাসান বলেন, দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে তাঁরা কেন কি উদ্দেশ্যে এখানে এসেছেন এবং রেললাইনে কেন হাঁটাহাঁটি করছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।