ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরায় ধরা পড়ছে একের পর এক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দৃশ্য। এআই ক্যামেরা চালু হওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে ৩৭৯টি মামলা করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই প্রযুক্তিনির্ভর অটো ফাইন সিস্টেম শুরু হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি গেইট থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এআই ক্যামেরার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে বসানো হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারে। চালু হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টায় এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ৩৭৯টি মামলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত গতি, নির্ধারিত লেন না মানা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে পাঠানো হচ্ছে মামলা সংক্রান্ত বার্তা। এআই ক্যামেরায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা শনাক্ত করে এসব মামলা করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম (ওভারস্পিড), অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যবস্থার আওতায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন অমান্যকারী যানবাহন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মামলা দেওয়া হবে।
এরপর যানবাহনের নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হবে। মামলার তথ্য পাওয়ার পর আইন অমান্যকারী যানবাহনের মালিকরা নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরায় ধরা পড়ছে একের পর এক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দৃশ্য। এআই ক্যামেরা চালু হওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে ৩৭৯টি মামলা করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই প্রযুক্তিনির্ভর অটো ফাইন সিস্টেম শুরু হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার বলেন, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি গেইট থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এআই ক্যামেরার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে বসানো হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারে। চালু হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টায় এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ৩৭৯টি মামলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত গতি, নির্ধারিত লেন না মানা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে পাঠানো হচ্ছে মামলা সংক্রান্ত বার্তা। এআই ক্যামেরায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা শনাক্ত করে এসব মামলা করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম (ওভারস্পিড), অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যবস্থার আওতায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন অমান্যকারী যানবাহন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মামলা দেওয়া হবে।
এরপর যানবাহনের নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হবে। মামলার তথ্য পাওয়ার পর আইন অমান্যকারী যানবাহনের মালিকরা নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।