নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেলবাহী একটি কাভার্ড ভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে গাড়ির ভেতরে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ঢাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের পার্সেল ও মালামাল নিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি আলেখারচর বিশ্বরোডে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে এসে দাঁড়ায়। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ গাড়ির ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এ সময় চালক দ্রুত গাড়িটি সরিয়ে পেট্রোল পাম্পের সামনের স্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের কর্নারসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যান এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কতটুকু মালামাল পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কুমিল্লা কান্দিরপাড় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন জানান, কাভার্ড ভ্যানটিতে ঢাকা থেকে আনা বিভিন্ন ধরনের পার্সেল ও মালামাল ছিল। গাড়ির ভেতরে থাকা যন্ত্রাংশের ঘর্ষণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটির ভেতর থেকে ধীরে ধীরে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে চালক গাড়িটি অন্যত্র সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। গাড়ির ভেতরে থাকা কোনো দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আলেখারচর বিশ্বরোড কার্যালয়ের ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেলবাহী একটি কাভার্ড ভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে গাড়ির ভেতরে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ঢাকা থেকে বিভিন্ন ধরনের পার্সেল ও মালামাল নিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি আলেখারচর বিশ্বরোডে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে এসে দাঁড়ায়। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ গাড়ির ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এ সময় চালক দ্রুত গাড়িটি সরিয়ে পেট্রোল পাম্পের সামনের স্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের কর্নারসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যান এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কতটুকু মালামাল পুড়ে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কুমিল্লা কান্দিরপাড় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন জানান, কাভার্ড ভ্যানটিতে ঢাকা থেকে আনা বিভিন্ন ধরনের পার্সেল ও মালামাল ছিল। গাড়ির ভেতরে থাকা যন্ত্রাংশের ঘর্ষণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটির ভেতর থেকে ধীরে ধীরে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে চালক গাড়িটি অন্যত্র সরিয়ে নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। গাড়ির ভেতরে থাকা কোনো দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আলেখারচর বিশ্বরোড কার্যালয়ের ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।