নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদের নামাজ ও খাবারের পর বাড়ির কাছে দল বেঁধে ঘুরার সুন্দর জায়গা কুমিল্লার কোটবাড়ির শালবন বৌদ্ধবিহার। দর্শনার্থীদের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে আজ শনিবার ঈদের দিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বেল শালবন বৌদ্ধবিহার খোলা থাকবে। তবে ময়নামতি জাদুঘর বন্ধ থাকবে।
ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম গতকাল শুক্রবার দুপুরে আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাহীন আলম বলেন, শালবন বৌদ্ধবিহারে প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। তবে সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য ৪০০ টাকা করে।
কেবল শালবন বৌদ্ধবিহার নয়, কোটবাড়ি এলে একসঙ্গে বহু পিকনিক দর্শনীয় স্থান দেখা যাবে। আছে অমূল্য প্রত্নসম্পদে ভরপুর লালমাই পাহাড়, ম্যাজিক প্যারাডাইজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ডাইনো পার্ক, লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান, বার্ড, ব্লু ওয়াটার পার্ক ও বনবিভাগের নানা স্পট।
জানা গেছে, কোটবাড়ির ময়নামতি জাদুঘরের লাগোয়া প্রত্নসম্পদ শালবন বৌদ্ধবিহার। অষ্টম শতকে নির্মিত শালবন বিহারের অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় করেন। প্রতিদিন শত শত দেশি-বিদেশি পর্যটক অমূল্য প্রত্নসম্পদে ভরা ওই বিহার দেখতে আসেন। শালবন বিহারকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য সেখানে নানা প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে।
শালবন বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে জানুন: ১৯৫৫ সালে প্রত্নসম্পদে ভরপুর কোটবাড়ি এলাকার শালবন বৌদ্ধবিহারের প্রথম খনন কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত্র খনন করে শালবন বৌদ্ধবিহারের মূল মন্দিরকে ঘিরে চার পাশে ছোট ছোট নয়টি মন্দির ও ছয়টি স্তুপ আবিস্কৃত হয়েছে। এ ছাড়া মূল মন্দিরের বাইরে আরও দুইটি মন্দির ও চারটি স্তুপ আবিষ্কৃত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, কুমিল্লার লালমাই ও ময়নামতি পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য প্রত্নসম্পদ। এ সব প্রত্নসম্পদ পর্যটকদের এ অঞ্চলের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কথা জানান দিচ্ছে। প্রাচীনকাল থেকে কুমিল্লা অঞ্চল শিক্ষা, শিল্প সাহিত্য, চিত্রকলা ও সংস্কৃতিতে অগ্রগণ্য।

ঈদের নামাজ ও খাবারের পর বাড়ির কাছে দল বেঁধে ঘুরার সুন্দর জায়গা কুমিল্লার কোটবাড়ির শালবন বৌদ্ধবিহার। দর্শনার্থীদের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে আজ শনিবার ঈদের দিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বেল শালবন বৌদ্ধবিহার খোলা থাকবে। তবে ময়নামতি জাদুঘর বন্ধ থাকবে।
ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম গতকাল শুক্রবার দুপুরে আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাহীন আলম বলেন, শালবন বৌদ্ধবিহারে প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। তবে সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য ৪০০ টাকা করে।
কেবল শালবন বৌদ্ধবিহার নয়, কোটবাড়ি এলে একসঙ্গে বহু পিকনিক দর্শনীয় স্থান দেখা যাবে। আছে অমূল্য প্রত্নসম্পদে ভরপুর লালমাই পাহাড়, ম্যাজিক প্যারাডাইজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ডাইনো পার্ক, লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান, বার্ড, ব্লু ওয়াটার পার্ক ও বনবিভাগের নানা স্পট।
জানা গেছে, কোটবাড়ির ময়নামতি জাদুঘরের লাগোয়া প্রত্নসম্পদ শালবন বৌদ্ধবিহার। অষ্টম শতকে নির্মিত শালবন বিহারের অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় করেন। প্রতিদিন শত শত দেশি-বিদেশি পর্যটক অমূল্য প্রত্নসম্পদে ভরা ওই বিহার দেখতে আসেন। শালবন বিহারকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য সেখানে নানা প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে।
শালবন বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে জানুন: ১৯৫৫ সালে প্রত্নসম্পদে ভরপুর কোটবাড়ি এলাকার শালবন বৌদ্ধবিহারের প্রথম খনন কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত্র খনন করে শালবন বৌদ্ধবিহারের মূল মন্দিরকে ঘিরে চার পাশে ছোট ছোট নয়টি মন্দির ও ছয়টি স্তুপ আবিস্কৃত হয়েছে। এ ছাড়া মূল মন্দিরের বাইরে আরও দুইটি মন্দির ও চারটি স্তুপ আবিষ্কৃত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, কুমিল্লার লালমাই ও ময়নামতি পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য প্রত্নসম্পদ। এ সব প্রত্নসম্পদ পর্যটকদের এ অঞ্চলের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কথা জানান দিচ্ছে। প্রাচীনকাল থেকে কুমিল্লা অঞ্চল শিক্ষা, শিল্প সাহিত্য, চিত্রকলা ও সংস্কৃতিতে অগ্রগণ্য।