বাসস

কুমিল্লা নগরের অশোকতলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- নোয়াখালী সদর উপজেলার লক্ষীনারায়ণপুর এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে নিশান ইসলাম (২৭) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাথুরিয়াপাড়া এলাকার প্রয়াত খবির মিয়ার ছেলে সোহেল আরমান (৪৪)।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি মডেল থানার অশোকতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ টাকা সমমূল্যের জালনোট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫০০ টাকার ২০২টি এবং ২০০ টাকার ৪৮৩টি জাল নোট ছিল।
এ সময় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।
তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।
বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও বিভিন্ন মার্কেটে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার পরিকল্পনা ছিল বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা নগরের অশোকতলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- নোয়াখালী সদর উপজেলার লক্ষীনারায়ণপুর এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে নিশান ইসলাম (২৭) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাথুরিয়াপাড়া এলাকার প্রয়াত খবির মিয়ার ছেলে সোহেল আরমান (৪৪)।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি মডেল থানার অশোকতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ টাকা সমমূল্যের জালনোট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫০০ টাকার ২০২টি এবং ২০০ টাকার ৪৮৩টি জাল নোট ছিল।
এ সময় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।
তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।
বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও বিভিন্ন মার্কেটে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার পরিকল্পনা ছিল বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।