নিজস্ব প্রতিবেদক

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা আসামি শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কারা পুলিশের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
শহিদুল্লাহ রাসেল কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের আটিটি খন্দকার বাড়ির আবুল হাসেমের ছেলে।
জানা যায়, গত ১০ মে বিকেলে লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের শাসনপাড়া গ্রাম থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে লালমাই থানা পুলিশ। পরদিন ১১ মে আদালতের নির্দেশে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি কাশি ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। বুধবার সকাল নয়টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে রাসেলের স্ত্রী হালিমা আক্তারের দাবি, তাঁর স্বামীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মোবাইলে কল করে আটিটি বাজার থেকে শাসনপাড়া নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তিনি তওবা করে ভালো হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা আমার স্বামীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, কারাগারে মারা যাওয়া শহিদুল্লাহ রাসেল যুবদলের নিবেদিত কর্মী। তার গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়েছে কিনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান জানান, রাসেল কারাগারে আসার আগ থেকেই নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পূর্ববর্তী চিকিৎসা নথির আলোকে কারা চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা নিশ্চিত করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
তিনি আরও জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কার্ডিয়াক শকে রাসেলের মৃত্যু হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা আসামি শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। কারা পুলিশের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
শহিদুল্লাহ রাসেল কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের আটিটি খন্দকার বাড়ির আবুল হাসেমের ছেলে।
জানা যায়, গত ১০ মে বিকেলে লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের শাসনপাড়া গ্রাম থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ রাসেলকে গ্রেপ্তার করে লালমাই থানা পুলিশ। পরদিন ১১ মে আদালতের নির্দেশে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি কাশি ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। বুধবার সকাল নয়টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে রাসেলের স্ত্রী হালিমা আক্তারের দাবি, তাঁর স্বামীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মোবাইলে কল করে আটিটি বাজার থেকে শাসনপাড়া নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তিনি তওবা করে ভালো হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা আমার স্বামীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, কারাগারে মারা যাওয়া শহিদুল্লাহ রাসেল যুবদলের নিবেদিত কর্মী। তার গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়েছে কিনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান জানান, রাসেল কারাগারে আসার আগ থেকেই নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পূর্ববর্তী চিকিৎসা নথির আলোকে কারা চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা নিশ্চিত করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
তিনি আরও জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কার্ডিয়াক শকে রাসেলের মৃত্যু হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।