নিজস্ব প্রতিবেদক

বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসানের পক্ষে গণমাধ্যমে কথা বলা কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) পদ থেকে দুই আইনজীবীর নিয়োগ বাতিল করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশ অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা নিয়োগসংক্রান্ত স্মারকের মাধ্যমে তাদের যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হলো।
গত ১৬ জুন কুমিল্লার আদালতে শিবির নেতা জিসানের বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছিলেন এপিপি পদ থেকে নিয়োগ বাতিল হওয়া দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম। সেদিন অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেছিলেন, প্রশাসন জিসানের সাথে আইনজীবী ও তার স্বজনদের কথা বলতে দেয়নি।
অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী নিয়োগ বাতিলের বিষয়ে বলেন, আমরা জিসানের মামলায় ওকালতনামা নিইনি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করায় কথা বলেছি। পত্রে নিয়োগ বাতিলের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। জিসানের মামলার বিষয়ে কথা বলায় প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটতে পারে।
পাবলিক প্রসিকিউটর কাইমুল হক রিংকু বলেন, আইন মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে এ আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে। তারা উভয়ে সরকারি আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হয়ে রাষ্ট্রের বিপক্ষে আসামির পক্ষে কেউ যেতে পারেন না।
এ বিষয়ে কুমিল্লা নারী ও শিশু আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন বলেন, আইন মন্ত্রণালয় চাইলে যেকোনো সময় যে কারো নিয়োগ বাতিল করতে পারে। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে দুজন এপিপির নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে সে দুইজন আইনজীবী আসামির পক্ষে ওকালতনামা নেননি। তারা আসামি জিসানের পক্ষে আদালতের সামনে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ জুন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা পশ্চিম অঞ্চলের সাবেক সভাপতি জিসান আহমেদ প্রধান নিখোঁজ হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরদিন এ বিষয়ে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় দাউদকান্দি মডেল থানায়। ওইদিন রাতে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এদিকে দাউদকান্দি থানায় ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসানের পক্ষে গণমাধ্যমে কথা বলা কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) পদ থেকে দুই আইনজীবীর নিয়োগ বাতিল করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশ অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা নিয়োগসংক্রান্ত স্মারকের মাধ্যমে তাদের যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হলো।
গত ১৬ জুন কুমিল্লার আদালতে শিবির নেতা জিসানের বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছিলেন এপিপি পদ থেকে নিয়োগ বাতিল হওয়া দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম। সেদিন অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেছিলেন, প্রশাসন জিসানের সাথে আইনজীবী ও তার স্বজনদের কথা বলতে দেয়নি।
অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী নিয়োগ বাতিলের বিষয়ে বলেন, আমরা জিসানের মামলায় ওকালতনামা নিইনি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করায় কথা বলেছি। পত্রে নিয়োগ বাতিলের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। জিসানের মামলার বিষয়ে কথা বলায় প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটতে পারে।
পাবলিক প্রসিকিউটর কাইমুল হক রিংকু বলেন, আইন মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে এ আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে। তারা উভয়ে সরকারি আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হয়ে রাষ্ট্রের বিপক্ষে আসামির পক্ষে কেউ যেতে পারেন না।
এ বিষয়ে কুমিল্লা নারী ও শিশু আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন বলেন, আইন মন্ত্রণালয় চাইলে যেকোনো সময় যে কারো নিয়োগ বাতিল করতে পারে। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে দুজন এপিপির নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে সে দুইজন আইনজীবী আসামির পক্ষে ওকালতনামা নেননি। তারা আসামি জিসানের পক্ষে আদালতের সামনে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ জুন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা পশ্চিম অঞ্চলের সাবেক সভাপতি জিসান আহমেদ প্রধান নিখোঁজ হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরদিন এ বিষয়ে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় দাউদকান্দি মডেল থানায়। ওইদিন রাতে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এদিকে দাউদকান্দি থানায় ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।