তনু হত্যাকান্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকান্ডের দীর্ঘ ১০ বছর পর সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছে বহুল আলোচিত এ হত্যাকান্ডটি। ডিএনএ প্রতিবেদনে তনুকে যৌন নির্যাতন ও তিনজন পুরুষের বীর্য পাওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত কিংবা মৃত্যুর কারণ উল্লেখ না করা হয়নি। ফলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা হয়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের তৎকালিক ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ও আদালতে নির্দেশে দ্বিতীয় দফায় তনুর মরদেহ ময়নাতদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারর হিসেবে কর্মরত আছেন। তনু হত্যার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের আলোচনায় তিনি। গত সোমবার সন্ধ্যায় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেই পোস্টে তিনি তনুর মরদেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত এবং তাকে নিয়ে চলা সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যা দিয়েছেন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত না পাওয়া এবং ডিএনএ প্রতিবেদনে তিনজনের বীর্য পাওয়ার বিষয়টিও।
ডা. কামদা প্রসাদ সাহার ফেসবুক পোস্ট লিখেছেন, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক যথারীতি প্রথমে তনুর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ বোর্ডের মাধ্যমে ১৫ দিন পর কবর থেকে লাশ তুলে যখন দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হয়, তখন সঙ্গত কারণেই লাশটি ডিকম্পোজড বা পচা অবস্থায় পাওয়া যায়। আমি আদালত কর্তৃক নির্দেশিত দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত ওই বোর্ডের প্রধানের দায়িত্ব পালন করি। সিআইডি’র মাধ্যমে তনুর ব্যবহৃত জামা কাপড়সহ বিভিন্ন নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় এবং তাতে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর ডিএনএ পাওয়া যায়। সেটি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়। তিনি লেখেন, ‘ওই রিপোর্টে কোনোভাবেই উল্লেখ করা হয়নি যে, তনু ইচ্ছাকৃতভাবে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছিলেন। সম্ভবত সবাই তিনজনের ডিএনএ পাওয়ার ব্যাপারটিকেই এখানে কোরিলেট করেছে।’
এ বিষয়ে তনুর বাবা ও মামলার বাদী ইয়ার হোসেন সোমবার রাতে সমকালকে বলেন, এখন তদন্ত কর্মকর্তার তৎপরতা দেখে ময়নাতদন্তকারী এ চিকিৎসক দিশেহারা। তাকেও আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।
তবে এ বিষয়ে চিকিৎসক কামদা প্রসাদ সাহা বলেছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সঠিক ছিল। এ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা দুঃখজনক।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এখন তদন্ত করছে পিবিআই।

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকান্ডের দীর্ঘ ১০ বছর পর সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছে বহুল আলোচিত এ হত্যাকান্ডটি। ডিএনএ প্রতিবেদনে তনুকে যৌন নির্যাতন ও তিনজন পুরুষের বীর্য পাওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত কিংবা মৃত্যুর কারণ উল্লেখ না করা হয়নি। ফলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা হয়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের তৎকালিক ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ও আদালতে নির্দেশে দ্বিতীয় দফায় তনুর মরদেহ ময়নাতদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারর হিসেবে কর্মরত আছেন। তনু হত্যার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের আলোচনায় তিনি। গত সোমবার সন্ধ্যায় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেই পোস্টে তিনি তনুর মরদেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত এবং তাকে নিয়ে চলা সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যা দিয়েছেন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত না পাওয়া এবং ডিএনএ প্রতিবেদনে তিনজনের বীর্য পাওয়ার বিষয়টিও।
ডা. কামদা প্রসাদ সাহার ফেসবুক পোস্ট লিখেছেন, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক যথারীতি প্রথমে তনুর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ বোর্ডের মাধ্যমে ১৫ দিন পর কবর থেকে লাশ তুলে যখন দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হয়, তখন সঙ্গত কারণেই লাশটি ডিকম্পোজড বা পচা অবস্থায় পাওয়া যায়। আমি আদালত কর্তৃক নির্দেশিত দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত ওই বোর্ডের প্রধানের দায়িত্ব পালন করি। সিআইডি’র মাধ্যমে তনুর ব্যবহৃত জামা কাপড়সহ বিভিন্ন নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় এবং তাতে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর ডিএনএ পাওয়া যায়। সেটি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়। তিনি লেখেন, ‘ওই রিপোর্টে কোনোভাবেই উল্লেখ করা হয়নি যে, তনু ইচ্ছাকৃতভাবে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছিলেন। সম্ভবত সবাই তিনজনের ডিএনএ পাওয়ার ব্যাপারটিকেই এখানে কোরিলেট করেছে।’
এ বিষয়ে তনুর বাবা ও মামলার বাদী ইয়ার হোসেন সোমবার রাতে সমকালকে বলেন, এখন তদন্ত কর্মকর্তার তৎপরতা দেখে ময়নাতদন্তকারী এ চিকিৎসক দিশেহারা। তাকেও আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।
তবে এ বিষয়ে চিকিৎসক কামদা প্রসাদ সাহা বলেছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সঠিক ছিল। এ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা দুঃখজনক।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এখন তদন্ত করছে পিবিআই।