নিজস্ব প্রতিবেদক

এক সময় পুকুরে নিয়মিত গোসল করতো এলাকাবাসী। ওযু করতো। মাছ ধরতো। পুকুরের পানি ছিল স্বচ্ছ, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। হঠাৎ করেই দৃশ্যপট পাল্টে যায়। পুকুরের চারপাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পুকুরের তলদেশে আগাছা ভরে যায়। আশপাশের কিছু অসাধু ব্যক্তি পুকুরে ময়লা আবর্জনা ফেলে। এ অবস্থায় পুকুরটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সেখানে বর্তমানে ক্ষুদিপানা ভাসছে। কুমিল্লার আদালতের উত্তর পাশে কাপ্তান বাজার এলাকায় এই পুকুর। ক্ষুদিপানায় ভরা কাপ্তানবাজারের ওই পুকুরের নাম আদম আলী পুকুর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তান বাজার এলাকার বাসিন্দা এডভোকেট আদম আলীর নামে এই পুকুর। ত্রিপুরা মহারাজার আমল থেকে পুকুরটির অস্তিত্ব । ৬৬ শতক এই পুকুর। এক সময় এই পুকুর এলাকাবাসীর পানির সমস্যা মেটাতো। এখন ঘরে ঘরে মোটর দিয়ে পানি তোলার কারণে পানি ব্যবহার কমেছে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষ এখনও এই পুকুরের পানি ব্যবহার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরের চারপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুকুরের চারপাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হলেও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে এটি এখন অনেকটাই ব্যবহার অনুপযোগী।
সম্প্রতি দেখা গেছে, পুকুরটির চারপাশে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। নিয়মিত তদারকির অভাবে পুকুরটি তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও ব্যবহারযোগ্যতা হারাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে অযত্ন ও অব্যবস্থাপনার কারণে পুকুরটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
পরিবেশবিদদের দাবি, কুমিল্লা নগরে একের পর এক পুকুর ও জলাশয় হারিয়ে ভরাট হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি নেই। আদম আলী পুকুরটিকে অবহেলায় ফেলে না রেখে পরিকল্পিতভাবে সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা ) কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ বলেন, অবিলম্বে এই পুকুর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। সিটি করপোরেশন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারে। কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তর এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছেই এই পুকুর।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পুকুর ময়লা আবর্জনায় ভরা থাকলে জনস্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। দ্রুত পুকুরের ক্ষুদিপানা অপসারণ করতে হবে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, কুমিল্লা নগরের সব পুকুরই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে, হবে। কোন পুকুর ও জলাশয় ভরাট হতে দেব না। সিটি করপোরেশন শিগগিরই আদম আলী পুকুরসহ অন্যান্য পুকুর সংস্কার করবে।

এক সময় পুকুরে নিয়মিত গোসল করতো এলাকাবাসী। ওযু করতো। মাছ ধরতো। পুকুরের পানি ছিল স্বচ্ছ, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। হঠাৎ করেই দৃশ্যপট পাল্টে যায়। পুকুরের চারপাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পুকুরের তলদেশে আগাছা ভরে যায়। আশপাশের কিছু অসাধু ব্যক্তি পুকুরে ময়লা আবর্জনা ফেলে। এ অবস্থায় পুকুরটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সেখানে বর্তমানে ক্ষুদিপানা ভাসছে। কুমিল্লার আদালতের উত্তর পাশে কাপ্তান বাজার এলাকায় এই পুকুর। ক্ষুদিপানায় ভরা কাপ্তানবাজারের ওই পুকুরের নাম আদম আলী পুকুর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তান বাজার এলাকার বাসিন্দা এডভোকেট আদম আলীর নামে এই পুকুর। ত্রিপুরা মহারাজার আমল থেকে পুকুরটির অস্তিত্ব । ৬৬ শতক এই পুকুর। এক সময় এই পুকুর এলাকাবাসীর পানির সমস্যা মেটাতো। এখন ঘরে ঘরে মোটর দিয়ে পানি তোলার কারণে পানি ব্যবহার কমেছে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষ এখনও এই পুকুরের পানি ব্যবহার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরের চারপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুকুরের চারপাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হলেও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে এটি এখন অনেকটাই ব্যবহার অনুপযোগী।
সম্প্রতি দেখা গেছে, পুকুরটির চারপাশে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। নিয়মিত তদারকির অভাবে পুকুরটি তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও ব্যবহারযোগ্যতা হারাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে অযত্ন ও অব্যবস্থাপনার কারণে পুকুরটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
পরিবেশবিদদের দাবি, কুমিল্লা নগরে একের পর এক পুকুর ও জলাশয় হারিয়ে ভরাট হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি নেই। আদম আলী পুকুরটিকে অবহেলায় ফেলে না রেখে পরিকল্পিতভাবে সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা ) কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ বলেন, অবিলম্বে এই পুকুর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। সিটি করপোরেশন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারে। কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তর এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছেই এই পুকুর।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পুকুর ময়লা আবর্জনায় ভরা থাকলে জনস্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। দ্রুত পুকুরের ক্ষুদিপানা অপসারণ করতে হবে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, কুমিল্লা নগরের সব পুকুরই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে, হবে। কোন পুকুর ও জলাশয় ভরাট হতে দেব না। সিটি করপোরেশন শিগগিরই আদম আলী পুকুরসহ অন্যান্য পুকুর সংস্কার করবে।