বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীবান্ধব: উপাচার্য
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীবান্ধব। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ দেখাই প্রশাসনের প্রধান কাজ। আমি এখানে যোগদানের পরপরই বলেছিলাম, স্টুডেন্ট ফাস্ট। এই নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘এআইএস কার্নিভাল ২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। । বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে কার্নিভালের পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।
অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাহমিদা বেগমের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং এআইএস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে কাজ চলছে। যার সুফল খুব দ্রুতই দৃশ্যমান হবে।

তিনি বলেন, কেবল সিজিপিএ নয়; নেতৃত্বগুণ, গবেষণা ও বাস্তবমুখী দক্ষতাই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে রাখে। এ জন্য তিনি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সমস্যা সমাধান ও গবেষণাধর্মী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ দেওয়ার ওপর জোর দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীবান্ধব উল্লেখ করে উপাচার্য আরও বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রমকে একাডেমিক ক্রেডিটের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে আইকিউএসি। পাশাপাশি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ২১তম ব্যাচ থেকে ইংরেজির পাশাপাশি যেকোনো একটি বিদেশি ভাষা শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং অর্গানোগ্রামে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের মতো যুগোপযোগী নতুন বিভাগ খোলার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বক্তব্যের শেষে উপাচার্য বিদায়ী ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল অ্যালামনাই হিসেবে জুনিয়রদের পথপ্রদর্শক হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে কার্নিভালের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিকেলে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংগীত পরিবেশন করেন। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সরলা ব্যান্ডদল সংগীত পরিবেশন করে। এর আগে গতকাল সোমবার শোভাযাত্রা ও কেক কেটে কার্নিভাল উদ্বোধন করা হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীবান্ধব। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ দেখাই প্রশাসনের প্রধান কাজ। আমি এখানে যোগদানের পরপরই বলেছিলাম, স্টুডেন্ট ফাস্ট। এই নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘এআইএস কার্নিভাল ২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। । বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে কার্নিভালের পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।
অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাহমিদা বেগমের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠান হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং এআইএস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়নে কাজ চলছে। যার সুফল খুব দ্রুতই দৃশ্যমান হবে।

তিনি বলেন, কেবল সিজিপিএ নয়; নেতৃত্বগুণ, গবেষণা ও বাস্তবমুখী দক্ষতাই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে রাখে। এ জন্য তিনি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সমস্যা সমাধান ও গবেষণাধর্মী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ দেওয়ার ওপর জোর দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীবান্ধব উল্লেখ করে উপাচার্য আরও বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রমকে একাডেমিক ক্রেডিটের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে আইকিউএসি। পাশাপাশি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ২১তম ব্যাচ থেকে ইংরেজির পাশাপাশি যেকোনো একটি বিদেশি ভাষা শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং অর্গানোগ্রামে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের মতো যুগোপযোগী নতুন বিভাগ খোলার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বক্তব্যের শেষে উপাচার্য বিদায়ী ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল অ্যালামনাই হিসেবে জুনিয়রদের পথপ্রদর্শক হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে কার্নিভালের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিকেলে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংগীত পরিবেশন করেন। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সরলা ব্যান্ডদল সংগীত পরিবেশন করে। এর আগে গতকাল সোমবার শোভাযাত্রা ও কেক কেটে কার্নিভাল উদ্বোধন করা হয়।