লালমাই উপজেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার হলদিয়া মহিলা উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মো. আবু তাহের রনি। তিনি লালমাই উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধি হিসেবে এবারের যুব দিবসে তিনি লালমাই উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে যুব দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওই কর্মসূচিতে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুব্রত বিশ্বাস দাস ও লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। গত রোববার ওই কর্মসূচি হয়। ছবিতে লালমাই থানার ওসির পাশে রনিকে দেখা গেছে। এর পাশেই ছিলেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের।
এদিকে আবু তাহের রনিকে যুব উন্নয়ন দিবসের কর্মসূচিতে দেখে ক্ষুব্ধ হন লালমাই উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। তাঁরা সবাই কুমিল্লা-৬ ( সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী।
তবে স্থানীয় বিএনপির আরেকটি অংশের দাবি, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে বিতর্কিত করতে মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টু ও তাঁর অনুসারীরা এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আবু তাহের রনি লালমাই উপজেলার এনজিওগুলোর নেতা। তিনি এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে কর্মসূচিতে অংশ নেন।
লালমাই উপজেলা প্রশাসনও বলেছে, এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে আবু তাহের রনিকে যুব দিবসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জানতে চাইলে আবু তাহের রনি গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। এনজিও করার কারণে আমন্ত্রণ পেয়েছি। এখানে রাজনৈতিক কোন পরিচয় ছিল না। সেটি ব্যবহারও করা হয়নি। আমি বা আমার পরিবার রাজনৈতিকভাবে কাউকে হয়রানি করেনি। দলের আদর্শ কর্মে প্রতিফলন ঘটাইনি। যাঁরা এইসব করছেন তাঁরা সমাজ ও রাষ্ট্রে বিভাজন তৈরি করছেন। আমি যখন উন্নয়ন কাজ করি তখন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনে করে, করি না। আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও আওয়ামী লীগ, বিএনপি দেখি না। এখানে সবাই পড়ে। আমার এনজিও থেকে বিএনপি- আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা ঋণ নেয়। এখানে রাজনৈতিক দল মুখ্য নয়।
জানা গেছে, গত রোববার কুমিল্লার লালমাই উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস, ওসি মিজানুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। র্যালির সামনের সারিতে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আবু তাহের রনি।
পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ একটি মামলায় আবু তাহের রনিকে গ্রেপ্তার করেছিল লালমাই থানা পুলিশ। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। রনি বলেন, ‘আমন্ত্রণ পেয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। অতীতের মামলা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, রনি উপজেলার একটি যুব সংগঠনের সভাপতি। এ কারণে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁর দলীয় পদ কিংবা মামলায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানা ছিল না।
লালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, যুব দিবসের অনুষ্ঠানটি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর সংসদ সদস্য তাঁকে ডেকে র্যালিতে নিয়ে যান। তখন তাঁর ডানে-বাঁয়ে কে ছিলেন, তা খেয়াল করার সুযোগ হয়নি। তিনি তিন মাস আগে এ থানায় যোগ দিয়েছেন।
ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, রনি একটি এনজিও পরিচালনা করলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পদে থাকায় তাঁকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয় থেকে আমন্ত্রণ জানানো ঠিক হয়নি। বিষয়টি বিব্রতকর।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার হলদিয়া মহিলা উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মো. আবু তাহের রনি। তিনি লালমাই উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধি হিসেবে এবারের যুব দিবসে তিনি লালমাই উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে যুব দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওই কর্মসূচিতে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুব্রত বিশ্বাস দাস ও লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। গত রোববার ওই কর্মসূচি হয়। ছবিতে লালমাই থানার ওসির পাশে রনিকে দেখা গেছে। এর পাশেই ছিলেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের।
এদিকে আবু তাহের রনিকে যুব উন্নয়ন দিবসের কর্মসূচিতে দেখে ক্ষুব্ধ হন লালমাই উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। তাঁরা সবাই কুমিল্লা-৬ ( সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী।
তবে স্থানীয় বিএনপির আরেকটি অংশের দাবি, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে বিতর্কিত করতে মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারী লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী মীর পিন্টু ও তাঁর অনুসারীরা এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আবু তাহের রনি লালমাই উপজেলার এনজিওগুলোর নেতা। তিনি এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে কর্মসূচিতে অংশ নেন।
লালমাই উপজেলা প্রশাসনও বলেছে, এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে আবু তাহের রনিকে যুব দিবসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জানতে চাইলে আবু তাহের রনি গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। এনজিও করার কারণে আমন্ত্রণ পেয়েছি। এখানে রাজনৈতিক কোন পরিচয় ছিল না। সেটি ব্যবহারও করা হয়নি। আমি বা আমার পরিবার রাজনৈতিকভাবে কাউকে হয়রানি করেনি। দলের আদর্শ কর্মে প্রতিফলন ঘটাইনি। যাঁরা এইসব করছেন তাঁরা সমাজ ও রাষ্ট্রে বিভাজন তৈরি করছেন। আমি যখন উন্নয়ন কাজ করি তখন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনে করে, করি না। আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও আওয়ামী লীগ, বিএনপি দেখি না। এখানে সবাই পড়ে। আমার এনজিও থেকে বিএনপি- আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা ঋণ নেয়। এখানে রাজনৈতিক দল মুখ্য নয়।
জানা গেছে, গত রোববার কুমিল্লার লালমাই উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস, ওসি মিজানুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। র্যালির সামনের সারিতে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আবু তাহের রনি।
পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ একটি মামলায় আবু তাহের রনিকে গ্রেপ্তার করেছিল লালমাই থানা পুলিশ। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। রনি বলেন, ‘আমন্ত্রণ পেয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। অতীতের মামলা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, রনি উপজেলার একটি যুব সংগঠনের সভাপতি। এ কারণে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁর দলীয় পদ কিংবা মামলায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানা ছিল না।
লালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, যুব দিবসের অনুষ্ঠানটি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর সংসদ সদস্য তাঁকে ডেকে র্যালিতে নিয়ে যান। তখন তাঁর ডানে-বাঁয়ে কে ছিলেন, তা খেয়াল করার সুযোগ হয়নি। তিনি তিন মাস আগে এ থানায় যোগ দিয়েছেন।
ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, রনি একটি এনজিও পরিচালনা করলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পদে থাকায় তাঁকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয় থেকে আমন্ত্রণ জানানো ঠিক হয়নি। বিষয়টি বিব্রতকর।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।