বাসস, কুমিল্লা

জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ২৫৪ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
গতকাল শনিবার রাত ৮টা থেকে আজ রোববার ভোর রাত পর্যন্ত নগরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এর আগে গত বুধবার একই ধরনের অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছিল।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বাসসকে জানান, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। নগর ও উপজেলা পর্যায়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং উঠতি বয়সী বখাটেদের আড্ডার স্থান চিহ্নিত করে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, গতকাল শনিবার রাতে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৭ জনকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তারা সবাই রতন গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন, আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯)। তিনি নগরের ছোটরা মফিজাবাদ কলোনির আবুল কাশের ছেলে। আনিক রতন গ্রুপের প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনের ভাগনে। রতন আত্মগোপনে থাকায় আনিক বর্তমানে গ্রুপটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন।
পুলিশ জানায়, ২০২২ সালে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন আনিক। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও গ্যাংয়ের কার্যক্রমে যুক্ত হন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বাসসকে বলেন, নগরের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে—এমন স্থানগুলোতে অভিযান চালিয়ে ৩৭ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিনতাই, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় ও অতীতের অপরাধের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এরআগে গত বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালায় জেলা পুলিশ। ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
জেলায় ধারাবাহিক এ অভিযান শুরু হয়েছে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার মধ্যে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে দু’জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ২৫৪ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
গতকাল শনিবার রাত ৮টা থেকে আজ রোববার ভোর রাত পর্যন্ত নগরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এর আগে গত বুধবার একই ধরনের অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছিল।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বাসসকে জানান, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। নগর ও উপজেলা পর্যায়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং উঠতি বয়সী বখাটেদের আড্ডার স্থান চিহ্নিত করে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, গতকাল শনিবার রাতে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৭ জনকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তারা সবাই রতন গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন, আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯)। তিনি নগরের ছোটরা মফিজাবাদ কলোনির আবুল কাশের ছেলে। আনিক রতন গ্রুপের প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনের ভাগনে। রতন আত্মগোপনে থাকায় আনিক বর্তমানে গ্রুপটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন।
পুলিশ জানায়, ২০২২ সালে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন আনিক। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও গ্যাংয়ের কার্যক্রমে যুক্ত হন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বাসসকে বলেন, নগরের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে—এমন স্থানগুলোতে অভিযান চালিয়ে ৩৭ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিনতাই, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় ও অতীতের অপরাধের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এরআগে গত বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালায় জেলা পুলিশ। ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
জেলায় ধারাবাহিক এ অভিযান শুরু হয়েছে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার মধ্যে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে দু’জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।