মেঘনা নদীতো ট্রলারডুবি
হোমনা প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা প্রশাসন।
আজ রোববার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দকৃত মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ ১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। এতে ট্রলারডুবিতে নিহতদের স্বজনদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন সন্তানসহ স্বামীহারা নারীকে ৮০ হাজার টাকা এবং অপর এক নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে এই অর্থ বিতরণ করেন।
সহায়তা প্রদানকালে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র বর্মন এবং উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আবুল হাশিম উপস্থিত ছিলেন।
হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, হোমনা থেকে সোনারগাঁয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছি। সরকারি মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে পরিবারটির হাতে ১ লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসনিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়। নিখোঁজ মো. হেলালের এখনও সন্ধান মেলেনি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা প্রশাসন।
আজ রোববার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দকৃত মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ ১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। এতে ট্রলারডুবিতে নিহতদের স্বজনদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন সন্তানসহ স্বামীহারা নারীকে ৮০ হাজার টাকা এবং অপর এক নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে এই অর্থ বিতরণ করেন।
সহায়তা প্রদানকালে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র বর্মন এবং উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আবুল হাশিম উপস্থিত ছিলেন।
হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, হোমনা থেকে সোনারগাঁয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছি। সরকারি মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে পরিবারটির হাতে ১ লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসনিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়। নিখোঁজ মো. হেলালের এখনও সন্ধান মেলেনি।