চরম দুর্ভোগে যাত্রী ও চালকেরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই এলাকা থেকে আদর্শ সদর উপজেলার আলেখার চর বিশ্বরোড পর্যন্ত এ যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন পিঁপড়ার গতিতে চলাচল করে। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী, চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের আমতলী এলাকায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি ও কাদা জমে থাকায় যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। এর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংস্কারকাজ চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘ যানজটের কারণে কিছু যানবাহন উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করায় কয়েকটি স্থানে মহাসড়কের উভয়মুখী লেনেই যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জাকির হোসেন ও ইউপি সচিব মো. লিয়াকত আলী বলেন, ক্যান্টনমেন্টের আমতলী এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনের প্রায় আধা কিলোমিটার অংশজুড়ে ব্যাপক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার কারণে আলেখার চর বিশ্বরোড থেকে ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের উভয় পাশে বিভিন্ন স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। প্রায় দুই মাস ধরে এ কারণে তীব্র যানজট চলছে। এতে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কুমিল্লা পাপিয়া ট্রান্সপোর্টের চালক আবুল হোসেন, রূপালী সার্ভিসের যাত্রী ও কুমিল্লা আদালতের কর্মচারী ফারুকুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, সকাল ৮টার দিকে মাধাইয়া থেকে বুড়িচংয়ের কোরপাই এলাকায় এসে তারা যানজটে পড়েন। যানজটের কারণে আলেখার চর বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ে অফিসে পৌঁছাতে পারেননি। কারও কারও কর্মস্থলে পৌঁছাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বেশি সময় লাগতে পারে বলে তারা জানান।
বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী অংশে বহুদিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংস্কারকাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। ফলে ওই অংশে দীর্ঘদিন ধরে যানজট লেগেই আছে। অপরদিকে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের কাজও সড়ক বিভাগ খুবই ধীরগতিতে করছে। ফলে মানুষকে চরম নাকাল অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগ এখন অবর্ণনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। কবে মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাবে, সেটিই এখন প্রশ্ন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান জানান, বিকেল চারটার পর যানজট নিরসন হয়েছে। মহাসড়কের উভয় পাশেই খানাখন্দের সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে আমতলী এলাকায় উভয়মুখী লেনেই ব্যাপক খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ওই অংশে ঢাকামুখী লেনে কিছুটা সংস্কার করা হলেও চট্টগ্রামমুখী লেনে এখন বড় বড় গর্ত রয়েছে।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, মহাসড়কের আমতলী এলাকায় ঢাকামুখী লেনে সাময়িক সংস্কার করা হয়েছে। এ কারণে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই এলাকা থেকে আদর্শ সদর উপজেলার আলেখার চর বিশ্বরোড পর্যন্ত এ যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন পিঁপড়ার গতিতে চলাচল করে। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী, চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের আমতলী এলাকায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি ও কাদা জমে থাকায় যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। এর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংস্কারকাজ চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘ যানজটের কারণে কিছু যানবাহন উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করায় কয়েকটি স্থানে মহাসড়কের উভয়মুখী লেনেই যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জাকির হোসেন ও ইউপি সচিব মো. লিয়াকত আলী বলেন, ক্যান্টনমেন্টের আমতলী এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনের প্রায় আধা কিলোমিটার অংশজুড়ে ব্যাপক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার কারণে আলেখার চর বিশ্বরোড থেকে ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের উভয় পাশে বিভিন্ন স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। প্রায় দুই মাস ধরে এ কারণে তীব্র যানজট চলছে। এতে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কুমিল্লা পাপিয়া ট্রান্সপোর্টের চালক আবুল হোসেন, রূপালী সার্ভিসের যাত্রী ও কুমিল্লা আদালতের কর্মচারী ফারুকুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, সকাল ৮টার দিকে মাধাইয়া থেকে বুড়িচংয়ের কোরপাই এলাকায় এসে তারা যানজটে পড়েন। যানজটের কারণে আলেখার চর বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ে অফিসে পৌঁছাতে পারেননি। কারও কারও কর্মস্থলে পৌঁছাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বেশি সময় লাগতে পারে বলে তারা জানান।
বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী অংশে বহুদিন ধরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংস্কারকাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। ফলে ওই অংশে দীর্ঘদিন ধরে যানজট লেগেই আছে। অপরদিকে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের কাজও সড়ক বিভাগ খুবই ধীরগতিতে করছে। ফলে মানুষকে চরম নাকাল অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগ এখন অবর্ণনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। কবে মানুষ এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাবে, সেটিই এখন প্রশ্ন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান জানান, বিকেল চারটার পর যানজট নিরসন হয়েছে। মহাসড়কের উভয় পাশেই খানাখন্দের সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে আমতলী এলাকায় উভয়মুখী লেনেই ব্যাপক খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ওই অংশে ঢাকামুখী লেনে কিছুটা সংস্কার করা হলেও চট্টগ্রামমুখী লেনে এখন বড় বড় গর্ত রয়েছে।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, মহাসড়কের আমতলী এলাকায় ঢাকামুখী লেনে সাময়িক সংস্কার করা হয়েছে। এ কারণে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।