নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশে ফুড সেফটি অথরিটি নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের মাধ্যমে আমরা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ব্যাপারে কাজ করব। বিদেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। সেগুলো বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন ছাড়া অন্যরা তেমন কিনে না। আমরা সকল কমিউনিটিতে বাংলাদেশি কৃষিপণ্য ছড়িয়ে দিতে চাই। শুধু কচুর লতি, বা অন্য সবজি নয়; শস্য জাতীয় সবজি, সুইট কর্ন রপ্তানিসহ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে চাই। আমি সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করব।
আজ শনিবার কুমিল্লা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদনের দায়িত্ব, মৎস্য উৎপাদন, শস্য উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছি। এই কুমিল্লার দক্ষিণাঞ্চল ছিল জলাভূমি। আখতার হামিদ খান ইরিগেশন সিস্টেম চালু করে পুরো কুমিল্লার কৃষিকে বদলে দিয়েছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের কৃষি বদলে গেছে। আমিই প্রথম কুমিল্লায় রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান করেছিলাম। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল। আমি সকলের সহযোগিতা চাই, কীভাবে কুমিল্লার উন্নয়ন করা যায়, সেটি সম্পর্কে আপনাদের পরামর্শ চাই। মৃত্যু পর্যন্ত কৃষি ও কুমিল্লার মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।
তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগের সব এগিয়ে আছে। সামান্য একটি জায়গায় আটকে আছে। আমি সেটি নিয়ে কাজ করব। আমি কুমিল্লাকে ব্যাংক, ট্যাংক, এডুকেশনের সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কুমিল্লার যা কিছু ভালো, আমি তা চাই। গোমতী নদী আমাদের সোনার খনি। এটি নিয়ে একটি ভালো পরিকল্পনা আছে। ভবিষ্যতে আপনারা তা দেখতে পাবেন। দ্রুতসময়ে মরা খাল খনন করা খনন করা হবে। দখলকৃত খাল উদ্ধার করা হবে। এটা আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশে ফুড সেফটি অথরিটি নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের মাধ্যমে আমরা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ব্যাপারে কাজ করব। বিদেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। সেগুলো বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন ছাড়া অন্যরা তেমন কিনে না। আমরা সকল কমিউনিটিতে বাংলাদেশি কৃষিপণ্য ছড়িয়ে দিতে চাই। শুধু কচুর লতি, বা অন্য সবজি নয়; শস্য জাতীয় সবজি, সুইট কর্ন রপ্তানিসহ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে চাই। আমি সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করব।
আজ শনিবার কুমিল্লা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদনের দায়িত্ব, মৎস্য উৎপাদন, শস্য উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছি। এই কুমিল্লার দক্ষিণাঞ্চল ছিল জলাভূমি। আখতার হামিদ খান ইরিগেশন সিস্টেম চালু করে পুরো কুমিল্লার কৃষিকে বদলে দিয়েছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের কৃষি বদলে গেছে। আমিই প্রথম কুমিল্লায় রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান করেছিলাম। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল। আমি সকলের সহযোগিতা চাই, কীভাবে কুমিল্লার উন্নয়ন করা যায়, সেটি সম্পর্কে আপনাদের পরামর্শ চাই। মৃত্যু পর্যন্ত কৃষি ও কুমিল্লার মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।
তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগের সব এগিয়ে আছে। সামান্য একটি জায়গায় আটকে আছে। আমি সেটি নিয়ে কাজ করব। আমি কুমিল্লাকে ব্যাংক, ট্যাংক, এডুকেশনের সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কুমিল্লার যা কিছু ভালো, আমি তা চাই। গোমতী নদী আমাদের সোনার খনি। এটি নিয়ে একটি ভালো পরিকল্পনা আছে। ভবিষ্যতে আপনারা তা দেখতে পাবেন। দ্রুতসময়ে মরা খাল খনন করা খনন করা হবে। দখলকৃত খাল উদ্ধার করা হবে। এটা আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।