চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ির সীমানার দেয়াল ভাঙচুর ও প্রায় ১৮০টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তাদের আপন চাচাতো ভাইয়েরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে এই হামলা চালিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের অভিযোগ অনুযায়ী, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার চাচাতো ভাই আলমগীর ও আলী হোসেন ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে এই হামলা চালান।
হামলায় বসতবাড়ির বাউন্ডারির দেয়াল ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে আম, সুপারি, কড়ই, আকাশমণি ও কলাগাছসহ প্রায় ১২০টি বড় গাছ এবং পাশের জমিতে আরো ৬০টি চারা গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। নষ্ট করা হয়েছে শিম গাছের মাচা।
রুহুল আমিন জানান, রাতে ভয়ে তারা ঘর থেকে বের হতে পারেননি। ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ আসার আগেই সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে চলে যায়। তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন এবং আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, সব মিলিয়ে তাদের প্রায় ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তার দাবি, তাদের ফাঁসাতে রুহুল আমিন নিজেই নিজের দেয়াল ভেঙেছেন ও গাছ কেটেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন চাকমা জানিয়েছেন, সীমানা দেয়াল ভাঙা এবং গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়ির সীমানার দেয়াল ভাঙচুর ও প্রায় ১৮০টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তাদের আপন চাচাতো ভাইয়েরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে এই হামলা চালিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের অভিযোগ অনুযায়ী, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার চাচাতো ভাই আলমগীর ও আলী হোসেন ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে এই হামলা চালান।
হামলায় বসতবাড়ির বাউন্ডারির দেয়াল ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে আম, সুপারি, কড়ই, আকাশমণি ও কলাগাছসহ প্রায় ১২০টি বড় গাছ এবং পাশের জমিতে আরো ৬০টি চারা গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। নষ্ট করা হয়েছে শিম গাছের মাচা।
রুহুল আমিন জানান, রাতে ভয়ে তারা ঘর থেকে বের হতে পারেননি। ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ আসার আগেই সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে চলে যায়। তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন এবং আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, সব মিলিয়ে তাদের প্রায় ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তার দাবি, তাদের ফাঁসাতে রুহুল আমিন নিজেই নিজের দেয়াল ভেঙেছেন ও গাছ কেটেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন চাকমা জানিয়েছেন, সীমানা দেয়াল ভাঙা এবং গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।