মেঘনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদিতে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন লন্ডনী ও থানা যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজহারুল হক শাহীন ও যুবদলের সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ জামানসহ অপর একটি পক্ষ ফুল দিতে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুল দেওয়া শেষে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা উপজেলা চত্বরে অবস্থানকালে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ জামান বলেন, ফুল দেওয়ার নিয়ে হাতাহাতির কথা শুনেছি। তবে কার সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে তা আমি বলতে পারব না।
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আজহারুল হক শাহীন বলেন, দলের মধ্যে চেইন অব কমান্ডের অভাব রয়েছে। দীর্ঘদিন মাঠে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ২৪ শে জুলাই আন্দোলনে আমি জেল খেটেছি।
এখন যে এত নেতা তাদের কোনোদিন দেখিনি। এখন কিছু নতুন নেতা এসে নেতৃত্বের দাবি করছেন। কেউ কেউ বলছেন, তাদের নাকি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষ থেকে ফুল দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আমাদের বোধগম্য নয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেঘনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তার বলেন, শুনেছি বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কুমিল্লার মেঘনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদিতে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন লন্ডনী ও থানা যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজহারুল হক শাহীন ও যুবদলের সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ জামানসহ অপর একটি পক্ষ ফুল দিতে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুল দেওয়া শেষে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা উপজেলা চত্বরে অবস্থানকালে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ জামান বলেন, ফুল দেওয়ার নিয়ে হাতাহাতির কথা শুনেছি। তবে কার সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে তা আমি বলতে পারব না।
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আজহারুল হক শাহীন বলেন, দলের মধ্যে চেইন অব কমান্ডের অভাব রয়েছে। দীর্ঘদিন মাঠে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ২৪ শে জুলাই আন্দোলনে আমি জেল খেটেছি।
এখন যে এত নেতা তাদের কোনোদিন দেখিনি। এখন কিছু নতুন নেতা এসে নেতৃত্বের দাবি করছেন। কেউ কেউ বলছেন, তাদের নাকি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষ থেকে ফুল দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আমাদের বোধগম্য নয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেঘনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তার বলেন, শুনেছি বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।