নিজস্ব প্রতিবেদক

র্যাব-৭ উপসহকারী পরিচালক-ডিএডি (নায়েব সুবেদার) মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে চট্রগ্রামের পতেঙ্গায় প্রথম জানাযা শেষে আজ মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লায় দ্বিতীয় জানাযা শেষে দাফন করা হয়েছে।
লাশ দেখে মোতালেবের স্ত্রী শামসুন্নাহার, বড় ছেলে মেহেদী হাসান, বড় মেয়ে শামীমা জান্নাত ও ছোট মেয়ে সিদরাতুল মুনতাহা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মোতালেবের স্ত্রী শামসুন্নাহার কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল।’ আর কিছু বলতে পারলেন না তিনি। সন্তানদের জড়িয়ে ধরে নিজের পড়ে যাওয়া ঠেকিয়ে রাখছিলেন কেবল।
পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া সিদরাতুল মুনতাহা কান্না থামাতে পারছিল না। মুনতাহা বলে, ‘আব্বু আব্বু ডাকছি, আমার আব্বু কথা বলছে না। আমার আব্বুকে কেন খুন করা হলো।’
মোতালেবের বড় মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া শামীমা জান্নাত বলেন, ‘এভাবে আমার বাবাকে কেউ মেরে ফেলবে কেন। বাবা তো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে গিয়েছিল। কেন তাকে মরতে হলো।’
মোতালেবের স্নাতকপড়ুয়া বড় ছেলে মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাবার সঙ্গে আমার খুব মধুর সম্পর্ক ছিল। সব সময় মা ও বোনদের দেখে রাখার জন্য বলতেন। ভালোভাবে যাতে পড়াশোনা করি পরামর্শ দিতেন। বাবাকে হারিয়ে এখন আমরা দিশাহারা। আমাদের কী হবে, জানি না।’
মোতালেবের দুই ভাই আমির হোসেন ভূঁইয়া ও আবদুস সালাম ভূঁইয়া। বলেন, ‘আমার ভাই খুব অমায়িক ছিলেন। আমাদের পরিবারে তার শূন্যতা কখনো পূরণ হবে না।’

র্যাব-৭ উপসহকারী পরিচালক-ডিএডি (নায়েব সুবেদার) মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে চট্রগ্রামের পতেঙ্গায় প্রথম জানাযা শেষে আজ মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লায় দ্বিতীয় জানাযা শেষে দাফন করা হয়েছে।
লাশ দেখে মোতালেবের স্ত্রী শামসুন্নাহার, বড় ছেলে মেহেদী হাসান, বড় মেয়ে শামীমা জান্নাত ও ছোট মেয়ে সিদরাতুল মুনতাহা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মোতালেবের স্ত্রী শামসুন্নাহার কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল।’ আর কিছু বলতে পারলেন না তিনি। সন্তানদের জড়িয়ে ধরে নিজের পড়ে যাওয়া ঠেকিয়ে রাখছিলেন কেবল।
পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া সিদরাতুল মুনতাহা কান্না থামাতে পারছিল না। মুনতাহা বলে, ‘আব্বু আব্বু ডাকছি, আমার আব্বু কথা বলছে না। আমার আব্বুকে কেন খুন করা হলো।’
মোতালেবের বড় মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া শামীমা জান্নাত বলেন, ‘এভাবে আমার বাবাকে কেউ মেরে ফেলবে কেন। বাবা তো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে গিয়েছিল। কেন তাকে মরতে হলো।’
মোতালেবের স্নাতকপড়ুয়া বড় ছেলে মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাবার সঙ্গে আমার খুব মধুর সম্পর্ক ছিল। সব সময় মা ও বোনদের দেখে রাখার জন্য বলতেন। ভালোভাবে যাতে পড়াশোনা করি পরামর্শ দিতেন। বাবাকে হারিয়ে এখন আমরা দিশাহারা। আমাদের কী হবে, জানি না।’
মোতালেবের দুই ভাই আমির হোসেন ভূঁইয়া ও আবদুস সালাম ভূঁইয়া। বলেন, ‘আমার ভাই খুব অমায়িক ছিলেন। আমাদের পরিবারে তার শূন্যতা কখনো পূরণ হবে না।’