নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সেনাসদস্য সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পরে আদালতের বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল আমানের আদালত আজ শনিবার বেলা দুইটায় তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রিমান্ডে হাফিজুর রহমানের দেওয়া তথ্য পিবিআই যাচাই—বাছাই করছে। একই সঙ্গে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাফিজুর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। আমরা সেগুলো যাচাই—বাছাই করে দেখছি। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হলে আবারও আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাত আনুমানিক আটটার দিকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক মো. ইয়ার হোসেনের একমাত্র মেয়ে সোহাগী জাহান তনুর লাশ সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের অদূরে ঝোপ—জঙ্গলে পাওয়া যায়। ২১ মার্চ ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় বহুবার তদন্ত সংস্থা ও তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে গত ২১ মার্চ তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা হাফিজুর রহমানকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। ২২ এপ্রিল বুধবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর কল্যাণপুরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে পিবিআইয়ের কল্যাণপুরের বিশেষ ইউনিটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
হাফিজুরকে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে নিয়ে তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে শনিবার দুপুরে একটি মাইক্রোবাসে করে ঢাকা থেকে হাফিজুর রহমানকে কুমিল্লার আদালতে আনা হয়। এরপর বেলা দুইটার দিকে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বেলা ২টা ২০ মিনিটে পিবিআই সদস্যরা তাঁকে কারাগারে নিয়ে যান। হাফিজুর রহমান আদালতে অবস্থানকালীন মুখে মাস্ক পরে ছিলেন।

৬ এপ্রিল একই আদালতে হাজির হয়ে তদন্ত কর্মকর্তা মামলার অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার আবেদন করেন। আদালত তাতে সম্মতি দেন। ওই তিনজনের একজন হাফিজুর রহমান।
হাফিজুরের ডিএনএ পরীক্ষা প্রসঙ্গে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সিআইডির ফরেনসিক বিভাগে নেওয়ার পর তাঁর নমুনা সংগ্রহ করেছি। এই পরীক্ষা সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগে। প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।’

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সেনাসদস্য সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পরে আদালতের বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল আমানের আদালত আজ শনিবার বেলা দুইটায় তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রিমান্ডে হাফিজুর রহমানের দেওয়া তথ্য পিবিআই যাচাই—বাছাই করছে। একই সঙ্গে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাফিজুর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। আমরা সেগুলো যাচাই—বাছাই করে দেখছি। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হলে আবারও আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাত আনুমানিক আটটার দিকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক মো. ইয়ার হোসেনের একমাত্র মেয়ে সোহাগী জাহান তনুর লাশ সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের অদূরে ঝোপ—জঙ্গলে পাওয়া যায়। ২১ মার্চ ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় বহুবার তদন্ত সংস্থা ও তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে গত ২১ মার্চ তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা হাফিজুর রহমানকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। ২২ এপ্রিল বুধবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর কল্যাণপুরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে পিবিআইয়ের কল্যাণপুরের বিশেষ ইউনিটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
হাফিজুরকে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে নিয়ে তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে শনিবার দুপুরে একটি মাইক্রোবাসে করে ঢাকা থেকে হাফিজুর রহমানকে কুমিল্লার আদালতে আনা হয়। এরপর বেলা দুইটার দিকে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বেলা ২টা ২০ মিনিটে পিবিআই সদস্যরা তাঁকে কারাগারে নিয়ে যান। হাফিজুর রহমান আদালতে অবস্থানকালীন মুখে মাস্ক পরে ছিলেন।

৬ এপ্রিল একই আদালতে হাজির হয়ে তদন্ত কর্মকর্তা মামলার অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার আবেদন করেন। আদালত তাতে সম্মতি দেন। ওই তিনজনের একজন হাফিজুর রহমান।
হাফিজুরের ডিএনএ পরীক্ষা প্রসঙ্গে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সিআইডির ফরেনসিক বিভাগে নেওয়ার পর তাঁর নমুনা সংগ্রহ করেছি। এই পরীক্ষা সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগে। প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।’