নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের পানিতে বর্ষার শুরুতেই শহরতলির ছায়াবিতান এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ভারী বর্ষণ হলে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে একাকার অবস্থা। এরপর ওই পানি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের নিচ দিয়ে অশোকতলা ও বিসিক শিল্পনগরী দিয়ে ছায়াবিতান এলাকায় প্রবেশ করে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির পানি জমে ছায়াবিতানের প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সেখানকার বাসা বাড়িতে পানি। পঁচা পানির দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। অশোকতলা রেলক্রসিং দিয়ে হাজার হাজার মানুষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কোটবাড়ি, ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কে যান।
এ অবস্থায় এলাকাবাসী কুমিল্লা -৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুমিল্লা শহরতলির দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এলাকা দিয়ে প্রবাহমান ড্রেন (নালা) দিয়ে রেল লাইনের নিচ দিয়ে নির্মিত কালভার্টের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকা, দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এবং ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখার ময়লা পানি এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয়। এই ড্রেন /নালাটি সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে হওয়ায় অনেক বছর যাবত এটি খনন/পরিষ্কার করা হয় না। বর্তমানে এটি ময়লা আবর্জনায় প্রায় ভরাট হয়ে আছে। এছাড়া ড্রেনটির অশোকতলার রেল লাইনের নিচের কালভার্ট থেকে পশ্চিম অংশে ধর্মপুর তোয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ময়লা আর্বজনার কারণে পানি প্রবাহপথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সিটি করপোরেশন এলাকার পানি প্রবাহের কারণে ছায়াবিতান, দৌলতপুর ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলাকার রাস্তা ও নিচু ঘরবাড়িতে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতার কারণে এই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৫০ সহ¯্রাধিক মানুষ, ছায়াবিতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ডিগ্রি শাখার হাজার হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারিদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জনভোগান্তি লাঘবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই ড্রেন বা নালাটি জরুরী ভিত্তিতে পরিস্কার করার জন্য ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক এবং আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট আবেদন দেওয়া হয়। দৌলতপুর ও ছায়াবিতান এলাকাবাসীর পক্ষে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন বশির, মেহেদী চেীধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম. মানিক মিয়া সরদার, মো: রিপন হোসেন, মো. ইয়াসীন প্রমুখ এই আবেদন দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, যখনই বৃষ্টি হয়, ছায়াবিতানে নেমে আসে সীমাহীন দুর্ভোগ। আমরা এর প্রতিবার চাই।
ছায়াবিতান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা/ড্রেনটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করা এবং অনেক জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ছায়াবিতান ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এছাড়া এই নালা/ড্রেন দিয়েই সিটি এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকার পানি রেল লাইনের নিচের কালভার্ট দিয়ে প্রবাহিত হলেও দৌলতপুর-ছায়াবিতান-ধর্মপুর অংশ সিটির বাইরে হওয়ায় প্রতি বছর সিটি করপোরেশনে আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না। তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল কর্র্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এবং আদর্শ সদর উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই সমস্যা সমাধানে কুমিল্লা-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, কুমিল্লা শহর এতোদিন অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এখন পরিকল্পনা করে নালা করা হবে। বর্তমান সরকার কারও ভোগান্তি চায় না। সবাইকে স্বস্তিতে, শান্তিতে নিরাপদে রাখতে চায়। ছায়াবিতানবাসীর দুর্ভোগ দূর করা হবে। আমি এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব। ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে কথা বলব।

কুমিল্লা নগরের পানিতে বর্ষার শুরুতেই শহরতলির ছায়াবিতান এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ভারী বর্ষণ হলে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে একাকার অবস্থা। এরপর ওই পানি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের নিচ দিয়ে অশোকতলা ও বিসিক শিল্পনগরী দিয়ে ছায়াবিতান এলাকায় প্রবেশ করে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির পানি জমে ছায়াবিতানের প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সেখানকার বাসা বাড়িতে পানি। পঁচা পানির দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। অশোকতলা রেলক্রসিং দিয়ে হাজার হাজার মানুষ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কোটবাড়ি, ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কে যান।
এ অবস্থায় এলাকাবাসী কুমিল্লা -৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কুমিল্লা শহরতলির দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এলাকা দিয়ে প্রবাহমান ড্রেন (নালা) দিয়ে রেল লাইনের নিচ দিয়ে নির্মিত কালভার্টের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকা, দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এবং ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখার ময়লা পানি এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয়। এই ড্রেন /নালাটি সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে হওয়ায় অনেক বছর যাবত এটি খনন/পরিষ্কার করা হয় না। বর্তমানে এটি ময়লা আবর্জনায় প্রায় ভরাট হয়ে আছে। এছাড়া ড্রেনটির অশোকতলার রেল লাইনের নিচের কালভার্ট থেকে পশ্চিম অংশে ধর্মপুর তোয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ময়লা আর্বজনার কারণে পানি প্রবাহপথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সিটি করপোরেশন এলাকার পানি প্রবাহের কারণে ছায়াবিতান, দৌলতপুর ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলাকার রাস্তা ও নিচু ঘরবাড়িতে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। জলাবদ্ধতার কারণে এই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৫০ সহ¯্রাধিক মানুষ, ছায়াবিতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ডিগ্রি শাখার হাজার হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারিদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জনভোগান্তি লাঘবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই ড্রেন বা নালাটি জরুরী ভিত্তিতে পরিস্কার করার জন্য ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক এবং আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট আবেদন দেওয়া হয়। দৌলতপুর ও ছায়াবিতান এলাকাবাসীর পক্ষে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন বশির, মেহেদী চেীধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম. মানিক মিয়া সরদার, মো: রিপন হোসেন, মো. ইয়াসীন প্রমুখ এই আবেদন দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, যখনই বৃষ্টি হয়, ছায়াবিতানে নেমে আসে সীমাহীন দুর্ভোগ। আমরা এর প্রতিবার চাই।
ছায়াবিতান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালা/ড্রেনটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করা এবং অনেক জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ছায়াবিতান ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এছাড়া এই নালা/ড্রেন দিয়েই সিটি এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকার পানি রেল লাইনের নিচের কালভার্ট দিয়ে প্রবাহিত হলেও দৌলতপুর-ছায়াবিতান-ধর্মপুর অংশ সিটির বাইরে হওয়ায় প্রতি বছর সিটি করপোরেশনে আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না। তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল কর্র্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এবং আদর্শ সদর উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই সমস্যা সমাধানে কুমিল্লা-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, কুমিল্লা শহর এতোদিন অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এখন পরিকল্পনা করে নালা করা হবে। বর্তমান সরকার কারও ভোগান্তি চায় না। সবাইকে স্বস্তিতে, শান্তিতে নিরাপদে রাখতে চায়। ছায়াবিতানবাসীর দুর্ভোগ দূর করা হবে। আমি এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব। ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে কথা বলব।