• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা

একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষকের রোষানলে পড়ে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৭
logo

একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষকের রোষানলে পড়ে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৭
Photo

একটি বিষয়ে চারবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি অর্পিতা নওশিন। অভিযোগ, শিক্ষকের রোষানলেই বারবার ফেল করতে হয়েছে তাকে। শেষ পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায় অভিমানে প্রাণ দিলেন এই মেডিকেল শিক্ষার্থী।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্ধুরা জানান, নওশিন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ১০৯টি এভেন্ডার ৪০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট সেবন করেন।

নওশিন কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মেডিকেলে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ফিরছে তার নিথর দেহ।

সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন তিনি। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।

বন্ধুরা জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই প্রকাশ্যে তাকে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে এমন আচরণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে এই মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেন শিক্ষক মনিরা জহির কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সাথে এমন আচরণ করেন। তার বিষয়ে তদন্ত করলে নওশিনের আত্মহত্যার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নওশিনের বন্ধুরা জানান, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তাদের ব্যাচের তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশিত হয়েছে। একই সেশনের অন্য শিক্ষার্থীরা এখন পঞ্চম বর্ষে পড়লেও নওশিন প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষাতেই আটকে ছিলেন।

নওশিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান বলেন, আমার বোনের আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতা ছিল না। কলেজের মানসিক চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম বর্ষ থেকেই তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে। সবাই পাস করলেও আমার বোনকে একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তার সমস্যা কী, সেটাও কেউ বলেনি।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবারও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা চেয়েছিল। আমি আশ্বস্ত করেছিলাম টাকা পাঠাব। এমন খবর পাব, কখনও ভাবিনি।

অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মনিরা জহিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা সাত মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাই। খবর পাওয়ার পর পর জরুরি বিভাগে থাকা সকল চিকিৎসককে প্রপার ট্রিটমেনরটের অনুরোধ জানাই। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানায় ওই ছাত্রী মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ও পরিচালক হাসপাতালে ছুটে যাই।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছি। থানা থেকেও তদন্ত চলছে। যদি এ ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এর আগে এটি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।

Thumbnail image

একটি বিষয়ে চারবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি অর্পিতা নওশিন। অভিযোগ, শিক্ষকের রোষানলেই বারবার ফেল করতে হয়েছে তাকে। শেষ পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায় অভিমানে প্রাণ দিলেন এই মেডিকেল শিক্ষার্থী।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্ধুরা জানান, নওশিন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ১০৯টি এভেন্ডার ৪০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট সেবন করেন।

নওশিন কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট। খুলনার সরকারি করোনেশন গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মেডিকেলে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ফিরছে তার নিথর দেহ।

সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন তিনি। এরপর গত তিন বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।

বন্ধুরা জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই প্রকাশ্যে তাকে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে এমন আচরণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে এই মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেন শিক্ষক মনিরা জহির কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সাথে এমন আচরণ করেন। তার বিষয়ে তদন্ত করলে নওশিনের আত্মহত্যার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নওশিনের বন্ধুরা জানান, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তাদের ব্যাচের তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশিত হয়েছে। একই সেশনের অন্য শিক্ষার্থীরা এখন পঞ্চম বর্ষে পড়লেও নওশিন প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষাতেই আটকে ছিলেন।

নওশিনের ভাই শাহরিয়ার আরমান বলেন, আমার বোনের আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতা ছিল না। কলেজের মানসিক চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম বর্ষ থেকেই তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে। সবাই পাস করলেও আমার বোনকে একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তার সমস্যা কী, সেটাও কেউ বলেনি।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবারও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা চেয়েছিল। আমি আশ্বস্ত করেছিলাম টাকা পাঠাব। এমন খবর পাব, কখনও ভাবিনি।

অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. মনিরা জহিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা সাত মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাই। খবর পাওয়ার পর পর জরুরি বিভাগে থাকা সকল চিকিৎসককে প্রপার ট্রিটমেনরটের অনুরোধ জানাই। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানায় ওই ছাত্রী মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ও পরিচালক হাসপাতালে ছুটে যাই।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছি। থানা থেকেও তদন্ত চলছে। যদি এ ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এর আগে এটি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

পেট্রোলিয়াম ডিপো পরিদর্শন করলেন যুগ্ম সচিব ইশরাত রেজা

২

বিজিবির অভিযানে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

৩

ব্রাহ্মণপাড়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট, অচল যানবাহন, জনভোগান্তি চরমে

৪

একই বিষয়ে বারবার অকৃতকার্য, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষকের রোষানলে পড়ে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ

৫

এই বছর যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান জিরো পাবে তাদের এমপিও বাতিল হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

সম্পর্কিত

পেট্রোলিয়াম ডিপো পরিদর্শন করলেন যুগ্ম সচিব ইশরাত রেজা

পেট্রোলিয়াম ডিপো পরিদর্শন করলেন যুগ্ম সচিব ইশরাত রেজা

১ ঘণ্টা আগে
বিজিবির অভিযানে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

বিজিবির অভিযানে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট, অচল যানবাহন, জনভোগান্তি চরমে

ব্রাহ্মণপাড়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট, অচল যানবাহন, জনভোগান্তি চরমে

১ ঘণ্টা আগে
এই বছর যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান জিরো পাবে তাদের এমপিও বাতিল হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

এই বছর যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান জিরো পাবে তাদের এমপিও বাতিল হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে