আমার শহর প্রতিবেদন

কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দিবসটি পালিত হয়।
দেবীদ্বার প্রতিনিধি জানান, আমাদের দেশ দুর্যোগ প্রবণ দেশ, দুর্যোগ প্রস্তুতি সম্পর্কে যত বেশি জানব আমরা আমাদের ক্ষয়ক্ষতি তত বেশি কমাতে পারব। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম ওই বক্তব্য দেন।
‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব- তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, উপজেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক ভূমিকম্প, বজ্রাঘাত ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠানের প্রদর্শন করা হয়।
উপজেলা ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনের উপস্থিত ছিলেন।
মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ওয়ের হাউজ ইন্সপেক্টর মো. আমজাদ হোসেন নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি দল ভূমিকম্প, বজ্রাঘাত ও অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক একটি মহড়ায় প্রদর্শন করেন। মহড়ায় বিদ্যালয়ে কৃত্রিম অগ্নিকাণ্ড এবং ভূমিকম্প পরিস্থিতি তৈরি করা হয় এবং স্থানীয়দের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা খবর পেয়ে তারা এসে আগুন নেভান। ভূমিকম্পে আটকা পড়া লোক উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে অগ্নিনির্বাপণ ও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের আগুন নেভানোর পদ্ধতি এবং বজ্রাঘাত থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতামূলক মহড়াও প্রদর্শন করা হয়।
এর আগে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে পুনরায় ওই স্থানে এস শেষ হয়।
তিতাস প্রতিনিধি জানান, তিতাসে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আগুন নিয়ন্ত্রণ মহড়া আজ মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি পরবর্তীতে হোমনা ফায়ার সার্ভিসের একদল কর্মী উক্ত মহড়ায় অংশ নেয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনাসহ এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ছাইদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমা আক্তার, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ছাদেক মো. জুনায়েদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বরুড়া প্রতিনিধি জানান, বরুড়ায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উদ্যোগে ফায়ার সার্ভিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। দুর্যোগ প্রস্তুতি লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রামণ্যচিত্র সহকারে শিক্ষার্থীদের আগুন নেভানোর বিষয় দেখানো হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহিন হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান রনি। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রতন কুমার সাহা, বরুড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মেধাদ উদ্দিন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. ইলিয়াস আহমেদ।

কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দিবসটি পালিত হয়।
দেবীদ্বার প্রতিনিধি জানান, আমাদের দেশ দুর্যোগ প্রবণ দেশ, দুর্যোগ প্রস্তুতি সম্পর্কে যত বেশি জানব আমরা আমাদের ক্ষয়ক্ষতি তত বেশি কমাতে পারব। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম ওই বক্তব্য দেন।
‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব- তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, উপজেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক ভূমিকম্প, বজ্রাঘাত ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠানের প্রদর্শন করা হয়।
উপজেলা ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনের উপস্থিত ছিলেন।
মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ওয়ের হাউজ ইন্সপেক্টর মো. আমজাদ হোসেন নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি দল ভূমিকম্প, বজ্রাঘাত ও অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক একটি মহড়ায় প্রদর্শন করেন। মহড়ায় বিদ্যালয়ে কৃত্রিম অগ্নিকাণ্ড এবং ভূমিকম্প পরিস্থিতি তৈরি করা হয় এবং স্থানীয়দের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা খবর পেয়ে তারা এসে আগুন নেভান। ভূমিকম্পে আটকা পড়া লোক উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে অগ্নিনির্বাপণ ও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের আগুন নেভানোর পদ্ধতি এবং বজ্রাঘাত থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতামূলক মহড়াও প্রদর্শন করা হয়।
এর আগে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে পুনরায় ওই স্থানে এস শেষ হয়।
তিতাস প্রতিনিধি জানান, তিতাসে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আগুন নিয়ন্ত্রণ মহড়া আজ মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি পরবর্তীতে হোমনা ফায়ার সার্ভিসের একদল কর্মী উক্ত মহড়ায় অংশ নেয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনাসহ এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ছাইদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমা আক্তার, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ছাদেক মো. জুনায়েদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বরুড়া প্রতিনিধি জানান, বরুড়ায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উদ্যোগে ফায়ার সার্ভিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। দুর্যোগ প্রস্তুতি লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রামণ্যচিত্র সহকারে শিক্ষার্থীদের আগুন নেভানোর বিষয় দেখানো হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহিন হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান রনি। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রতন কুমার সাহা, বরুড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মেধাদ উদ্দিন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. ইলিয়াস আহমেদ।