নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় ১২ ঘণ্টায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৩৫৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। এ নিয়ে সপ্তম দফায় ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের এ অভিযানকে কুমিল্লার নাগরিক সমাজ স্বাগত জানিয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর থেকে আজ সোমবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ষষ্ঠ দফার অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছিল।
জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, যেসব এলাকায় কিশোরদের উৎপাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আছে, সেসব জায়গা লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি অংশ নেয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত অভিযান চলছে। অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় এ অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, প্রথম পাঁচ দফায় ২ হাজার ৪২, ষষ্ঠ দফায় ২৫২ এবং সপ্তম দফায় ৩৫৩-এভাবে চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৬৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ, কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাÐের পর জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করে পুলিশ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার সানন্দা এলাকায় লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় ১২ ঘণ্টায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৩৫৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। এ নিয়ে সপ্তম দফায় ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের এ অভিযানকে কুমিল্লার নাগরিক সমাজ স্বাগত জানিয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর থেকে আজ সোমবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ষষ্ঠ দফার অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছিল।
জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, যেসব এলাকায় কিশোরদের উৎপাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আছে, সেসব জায়গা লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি অংশ নেয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত অভিযান চলছে। অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় এ অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, প্রথম পাঁচ দফায় ২ হাজার ৪২, ষষ্ঠ দফায় ২৫২ এবং সপ্তম দফায় ৩৫৩-এভাবে চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৬৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ, কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাÐের পর জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করে পুলিশ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার সানন্দা এলাকায় লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।