নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-সালদা-কসবা (সৈয়দাবাদ) জাতীয় মহাসড়কের জন্য ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গতকাল পরিকল্পনা বিভাগের একনেক ও সমন্বয় অনুবিভাগ (এইসি) একনেক শাখা- ১ এর উপসচিব ¯িœগ্ধা তালুকদার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই তথ্য জানানো হয়।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা যাবে। কুমিল্লার চাঁনপুর বেইলি সেতু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা সৈয়দাবাদ পর্যন্ত এই মহাসড়ক।
২০২৪ সালের ২ জুলাই সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত কুমিল্লা-সালদা-কসবা (সৈয়দাবাদ) সড়ককে (এন-১১৪) জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নীতকরন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকা। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। আগে প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এ প্রকল্পে ৪৩ দশমিক ৫১ হেক্টর জমি অধিগ্রহন করা হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়া বৃক্ষ অপসারণ, মূল উৎপাটন, সড়কবাদ প্রশস্তকরণ (মাটির কাজ) ও ২০টি পার্শ্ব সড়ক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, কুমিল্লা কসবা সড়ক হচ্ছে। একনেকে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে।

কুমিল্লা-সালদা-কসবা (সৈয়দাবাদ) জাতীয় মহাসড়কের জন্য ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গতকাল পরিকল্পনা বিভাগের একনেক ও সমন্বয় অনুবিভাগ (এইসি) একনেক শাখা- ১ এর উপসচিব ¯িœগ্ধা তালুকদার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই তথ্য জানানো হয়।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা যাবে। কুমিল্লার চাঁনপুর বেইলি সেতু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা সৈয়দাবাদ পর্যন্ত এই মহাসড়ক।
২০২৪ সালের ২ জুলাই সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত কুমিল্লা-সালদা-কসবা (সৈয়দাবাদ) সড়ককে (এন-১১৪) জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নীতকরন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকা। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। আগে প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এ প্রকল্পে ৪৩ দশমিক ৫১ হেক্টর জমি অধিগ্রহন করা হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়া বৃক্ষ অপসারণ, মূল উৎপাটন, সড়কবাদ প্রশস্তকরণ (মাটির কাজ) ও ২০টি পার্শ্ব সড়ক নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, কুমিল্লা কসবা সড়ক হচ্ছে। একনেকে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে।