গেমে আসক্তি নিয়ে ঝগড়া
দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের আঙ্গাউড়া গ্রামে ফ্রি ফায়ার গেম খেলা নিয়ে ঝগড়া, পারিবারিক অনটন নিয়ে ঝগড়ার পর এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে আঙ্গাউড়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে মাহবুব (২২) নামের ওই যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ। মাহবুব কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার নোয়াপুর গ্রামের আশরাফ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহবুব স্ত্রী সানজিদা আক্তারকে (১৯) নিয়ে প্রায় নয় মাস ধরে ওই এলাকার মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। জীবিকার জন্য তিনি অটোরিকশা চালাতেন। তবে পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে সংসারে আর্থিক সংকট ও অভাব-অনটন চলছিল।
নিহতের স্ত্রী সানজিদা আক্তার জানান, তার স্বামী নিয়মিত ফ্রি ফায়ার গেমে আসক্ত ছিলেন। কাজের পাশাপাশি অধিকাংশ সময় তিনি মোবাইল গেম নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। ঘটনার দিনও গেম খেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, সকালে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে স্বামী তার গায়ে হাত তোলেন । পরে স্ত্রী বাসা থেকে বের হয়ে মানুষের বাসায় কাজে যান। বিকেলে ফিরে এসে দরজা বন্ধ পান। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় পাঠায়।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নির্মল চন্দ্র দেব জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের আঙ্গাউড়া গ্রামে ফ্রি ফায়ার গেম খেলা নিয়ে ঝগড়া, পারিবারিক অনটন নিয়ে ঝগড়ার পর এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে আঙ্গাউড়া গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে মাহবুব (২২) নামের ওই যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে গৌরীপুর ফাঁড়ি পুলিশ। মাহবুব কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার নোয়াপুর গ্রামের আশরাফ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহবুব স্ত্রী সানজিদা আক্তারকে (১৯) নিয়ে প্রায় নয় মাস ধরে ওই এলাকার মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। জীবিকার জন্য তিনি অটোরিকশা চালাতেন। তবে পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে সংসারে আর্থিক সংকট ও অভাব-অনটন চলছিল।
নিহতের স্ত্রী সানজিদা আক্তার জানান, তার স্বামী নিয়মিত ফ্রি ফায়ার গেমে আসক্ত ছিলেন। কাজের পাশাপাশি অধিকাংশ সময় তিনি মোবাইল গেম নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। ঘটনার দিনও গেম খেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, সকালে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে স্বামী তার গায়ে হাত তোলেন । পরে স্ত্রী বাসা থেকে বের হয়ে মানুষের বাসায় কাজে যান। বিকেলে ফিরে এসে দরজা বন্ধ পান। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় পাঠায়।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নির্মল চন্দ্র দেব জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।