নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছে কুমিল্লার পিছিয়ে থাকা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ ইকোনোমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (জিসা)। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা নথিপত্রে দেওয়া আছে আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর এলাকায়। কিন্তু বর্তমানে সংস্থার কার্যক্রম চলছে রেসকোর্স এলাকায়। জিসার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিসার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার মতো জনবল কম। এ অবস্থায় কারা নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন তা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
জিসার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে ১ হাজার ১৮৮ জন পর্যবেক্ষক দেওয়ার অনুমোদন পেয়েছি। আমি ৩০০ জনের মতো দেব। এর মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী, সংস্থার সদস্য, কর্মী ও তাঁদের ছেলেরা পর্যবেক্ষক থাকবেন।
জানা গেছে, কুমিল্লা জেলায় ২১ টির বেশি স্থানীয় এনজিও আছে। এর মধ্যে জিসা পিছিয়ে থাকা এনজিও। ওই সংস্থার এই ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতাও কম।
জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কারা থাকবেন তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করে দেয়। এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সেটি পাঠানো হয়। স্থানীয় ভাবে আমরা কোন এনজিওকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেই না।’

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছে কুমিল্লার পিছিয়ে থাকা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ ইকোনোমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (জিসা)। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা নথিপত্রে দেওয়া আছে আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর এলাকায়। কিন্তু বর্তমানে সংস্থার কার্যক্রম চলছে রেসকোর্স এলাকায়। জিসার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিসার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার মতো জনবল কম। এ অবস্থায় কারা নির্বাচন পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন তা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
জিসার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে ১ হাজার ১৮৮ জন পর্যবেক্ষক দেওয়ার অনুমোদন পেয়েছি। আমি ৩০০ জনের মতো দেব। এর মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী, সংস্থার সদস্য, কর্মী ও তাঁদের ছেলেরা পর্যবেক্ষক থাকবেন।
জানা গেছে, কুমিল্লা জেলায় ২১ টির বেশি স্থানীয় এনজিও আছে। এর মধ্যে জিসা পিছিয়ে থাকা এনজিও। ওই সংস্থার এই ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতাও কম।
জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান গতকাল রাতে আমার শহরকে বলেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কারা থাকবেন তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করে দেয়। এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সেটি পাঠানো হয়। স্থানীয় ভাবে আমরা কোন এনজিওকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেই না।’