আমার শহর ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের জেলা চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতল ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স’। গতকাল সোমবার পুত্রাজায়া লেক সংলগ্ন মাঠে ফাইনালে নরসিংদী লায়ন্সকে ২০ রানে পরাজিত করে তারা।
বাংলাদেশ স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল অ্যাকাডেমি-মালয়েশিয়া আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ১২টি জেলা দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, ফরিদপুর, চাঁদপুর ও শরিয়তপুর।
ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তারা সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১২ রানের স্কোর দাঁড় করায়।
জবাবে ১১৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় নরসিংদী লায়ন্স। ২০ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কুমিল্লা।
খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশন কুয়ালালামপুরের শ্রম কাউন্সেলর মো. সিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউন্সেলর মো. ফিরোজ রাব্বানী।
যারা পুরস্কার পেলেন- ম্যান অব দ্য ফাইনাল কুমিল্লার মোহাম্মদ রায়হান, সেরা ব্যাটার খুলনার বেলাল হোসেন, সেরা উইকেটকিপার নরসিংদীর জাহিদ হাসান এবং সেরা বোলার নরসিংদীর জুনায়েদ তামিম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, আহ্বায়ক মো. সাইফুদ্দিন এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব-মালয়েশিয়ার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের জেলা চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতল ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স’। গতকাল সোমবার পুত্রাজায়া লেক সংলগ্ন মাঠে ফাইনালে নরসিংদী লায়ন্সকে ২০ রানে পরাজিত করে তারা।
বাংলাদেশ স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল অ্যাকাডেমি-মালয়েশিয়া আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ১২টি জেলা দল অংশ নেয়। দলগুলো হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, ফরিদপুর, চাঁদপুর ও শরিয়তপুর।
ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তারা সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১২ রানের স্কোর দাঁড় করায়।
জবাবে ১১৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় নরসিংদী লায়ন্স। ২০ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কুমিল্লা।
খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশন কুয়ালালামপুরের শ্রম কাউন্সেলর মো. সিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউন্সেলর মো. ফিরোজ রাব্বানী।
যারা পুরস্কার পেলেন- ম্যান অব দ্য ফাইনাল কুমিল্লার মোহাম্মদ রায়হান, সেরা ব্যাটার খুলনার বেলাল হোসেন, সেরা উইকেটকিপার নরসিংদীর জাহিদ হাসান এবং সেরা বোলার নরসিংদীর জুনায়েদ তামিম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, আহ্বায়ক মো. সাইফুদ্দিন এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব-মালয়েশিয়ার সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন।