১৫ দিনের আলটিমেটাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে এবং ঝুলন্ত তারের জঞ্জাল ও বিশৃঙ্খল অবস্থা নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন। শহরের বিভিন্ন সড়ক ও অলি-গলিতে বৈদ্যুতিক পোলে ঝুলে থাকা ক্যাবল টিভি (ডিশ) ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের তারের জট সরাতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের ১৫ কার্যদিবসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তার সুবিন্যস্ত না করলে লাইন কেটে দেওয়াসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নোটিশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশের অনুলিপি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ১, ২ ও ৩) এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, কুমিল্লা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলির বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোতে ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তারের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও বিশৃঙ্খল। সড়কের ওপর লটকানো অতিরিক্ত তারের জট, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যত্রতত্র ঝুলে থাকা তারের কারণে নগরের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, প্রায়শই ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে এসব তার ছিঁড়ে রাস্তার ওপর পড়ে থাকে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে এবং ইতিমধ্যে একাধিক ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে বর্তমান বর্ষা মৌসুমে বৈদ্যুতিক লাইনের সাথে এই ঝুলন্ত তারের ঘর্ষণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি সিটি করপোরেশন, স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের এক সমন্বয় সভায় এই নাগরিক দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ক্যাবল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের তারের জট নিরসন করতে হবে। একই সাথে পরিত্যক্ত সমস্ত ক্যাবল দ্রুত অপসারণ করে সচল লাইনগুলো একসঙ্গে গুচ্ছ বা বান্ডেল আকারে সুবিন্যস্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে বিষয়টি অতীব জরুরি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই জঞ্জাল ও বিশৃঙ্খলা দূর করা না হলে জনভোগান্তি রোধে সিটি করপোরেশন নিজে উদ্যোগে এসব ক্যাবল বিচ্ছিন্ন ও অপসারণ করবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লা নগরের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে এবং ঝুলন্ত তারের জঞ্জাল ও বিশৃঙ্খল অবস্থা নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন। শহরের বিভিন্ন সড়ক ও অলি-গলিতে বৈদ্যুতিক পোলে ঝুলে থাকা ক্যাবল টিভি (ডিশ) ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের তারের জট সরাতে সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের ১৫ কার্যদিবসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তার সুবিন্যস্ত না করলে লাইন কেটে দেওয়াসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নোটিশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশের অনুলিপি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ১, ২ ও ৩) এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, কুমিল্লা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলির বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোতে ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তারের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও বিশৃঙ্খল। সড়কের ওপর লটকানো অতিরিক্ত তারের জট, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যত্রতত্র ঝুলে থাকা তারের কারণে নগরের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, প্রায়শই ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে এসব তার ছিঁড়ে রাস্তার ওপর পড়ে থাকে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে এবং ইতিমধ্যে একাধিক ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে বর্তমান বর্ষা মৌসুমে বৈদ্যুতিক লাইনের সাথে এই ঝুলন্ত তারের ঘর্ষণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও বজ্রপাতের মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি সিটি করপোরেশন, স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের এক সমন্বয় সভায় এই নাগরিক দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ক্যাবল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের তারের জট নিরসন করতে হবে। একই সাথে পরিত্যক্ত সমস্ত ক্যাবল দ্রুত অপসারণ করে সচল লাইনগুলো একসঙ্গে গুচ্ছ বা বান্ডেল আকারে সুবিন্যস্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে বিষয়টি অতীব জরুরি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই জঞ্জাল ও বিশৃঙ্খলা দূর করা না হলে জনভোগান্তি রোধে সিটি করপোরেশন নিজে উদ্যোগে এসব ক্যাবল বিচ্ছিন্ন ও অপসারণ করবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।