নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাফিজুর রহমানকে আবারও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার কুমিল্লা আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের অতিরিক্ত সহকারী কৌঁসুলি মাহবুব আলম।
গতকাল শুক্রবার আদালতে আত্মসমর্পণ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণ করেননি। এ কারণে রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র জানায়, এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিনাদেশ ৯ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেন। হাফিজুর রহমানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ২ আগস্ট হাইকোর্ট হাফিজুর রহমানকে জামিন দেন। ৪ আগস্ট তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করলে চেম্বার জজ আদালত ওই আদেশ দেন।
কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। সেনানিবাসের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু। পরে ওই রাতেই সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস এলাকার ঝোপ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য হাফিজুর রহমানকে আবারও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার কুমিল্লা আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের অতিরিক্ত সহকারী কৌঁসুলি মাহবুব আলম।
গতকাল শুক্রবার আদালতে আত্মসমর্পণ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণ করেননি। এ কারণে রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র জানায়, এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিনাদেশ ৯ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেন। হাফিজুর রহমানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ২ আগস্ট হাইকোর্ট হাফিজুর রহমানকে জামিন দেন। ৪ আগস্ট তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করলে চেম্বার জজ আদালত ওই আদেশ দেন।
কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। সেনানিবাসের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু। পরে ওই রাতেই সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস এলাকার ঝোপ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।