নিজস্ব প্রতিবেদক

দেবীদ্বারের মুগসাইর গ্রামের কৃতী সন্তান মরহুম কাজী সুলতান আহমেদের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কাজী বাড়িতে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মুগসাইর এগার গ্রাম উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ সমাজ উন্নয়নে কাজী সুলতান আহমেদের ভাল কাজের প্রশংসা করেন অতিথিরা।
তারা বলেন, ‘মুগসাইর গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি আলোর প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছেন। যার ফলে মুগসাইর আজ দেবীদ্বার উপজেলার অন্যতম সুশিক্ষিত ও উন্নত গ্রামে পরিণিত হয়েছে। এছাড়া দারিদ্র বিমোচনে সমাজকল্যাণ ভবন প্রতিষ্ঠা, রণখলা খেলার মাঠ উন্নয়ন, কবরস্থান, মসজিদ উন্নয়নে তিনি প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে গেছেন।
মুগসাইর এগার গ্রাম উচ্চবিদ্যালয় সাবেক সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মরহুম কাজী সুলতান আহমেদ অত্যন্ত মেধাবী মানুষ ছিলেন। তিনি সারাজীবন গ্রামের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। শিক্ষা বিস্তারের জন্য মুগসাইর গ্রামবাসী তাঁকে সারাজীবন মনে রাখবে। আজকের দিনে আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুক।
ছাত্রনেতা ও কাজী সুলতান আহমেদের কনিষ্ঠপুত্র কাজী কামরুল হাসান সুমন বলেন, ‘বাবার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়ার আয়োজন করেছি। তিনি আমাদের গ্রাম ও সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্কুল প্রতিষ্ঠা, বাজার, খেলার মাঠ, কবরস্থান, মসজিদ, সমাজকল্যাণ ভবনের জন্য জমিদানসহ মানুষের সমস্যায় পাশে থেকেছেন। আমি সকলের কাছে আমার বাবার জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি’। এ সময় কাজী সুলতান আহমেদসহ কবরবাসীকে স্মরণ করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে তিন শতাধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট প্রয়াত হন কাজী সুলতান আহমেদ।

দেবীদ্বারের মুগসাইর গ্রামের কৃতী সন্তান মরহুম কাজী সুলতান আহমেদের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কাজী বাড়িতে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মুগসাইর এগার গ্রাম উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ সমাজ উন্নয়নে কাজী সুলতান আহমেদের ভাল কাজের প্রশংসা করেন অতিথিরা।
তারা বলেন, ‘মুগসাইর গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি আলোর প্রদীপ জ্বেলে দিয়েছেন। যার ফলে মুগসাইর আজ দেবীদ্বার উপজেলার অন্যতম সুশিক্ষিত ও উন্নত গ্রামে পরিণিত হয়েছে। এছাড়া দারিদ্র বিমোচনে সমাজকল্যাণ ভবন প্রতিষ্ঠা, রণখলা খেলার মাঠ উন্নয়ন, কবরস্থান, মসজিদ উন্নয়নে তিনি প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে গেছেন।
মুগসাইর এগার গ্রাম উচ্চবিদ্যালয় সাবেক সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মরহুম কাজী সুলতান আহমেদ অত্যন্ত মেধাবী মানুষ ছিলেন। তিনি সারাজীবন গ্রামের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। শিক্ষা বিস্তারের জন্য মুগসাইর গ্রামবাসী তাঁকে সারাজীবন মনে রাখবে। আজকের দিনে আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুক।
ছাত্রনেতা ও কাজী সুলতান আহমেদের কনিষ্ঠপুত্র কাজী কামরুল হাসান সুমন বলেন, ‘বাবার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়ার আয়োজন করেছি। তিনি আমাদের গ্রাম ও সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্কুল প্রতিষ্ঠা, বাজার, খেলার মাঠ, কবরস্থান, মসজিদ, সমাজকল্যাণ ভবনের জন্য জমিদানসহ মানুষের সমস্যায় পাশে থেকেছেন। আমি সকলের কাছে আমার বাবার জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি’। এ সময় কাজী সুলতান আহমেদসহ কবরবাসীকে স্মরণ করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে তিন শতাধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট প্রয়াত হন কাজী সুলতান আহমেদ।