নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মির্জানগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রবিউল আলম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। আজ বুধবার দুপুর ১২ টায় মির্জানগরের একটি চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বরুড়া উপজেলার মির্জানগর গ্রামে রবিউল আলমের সঙ্গে একই গ্রামের নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিলো। গত তিনমাস আগে এ নিয়ে এলাকাবাসী সালিস করে বিরোধ মিটিয়ে দেন। এরপরেও তাঁরা বিভিন্ন সময়ে একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। আজ বুধবার দুপুরে মির্জানগরের একটি চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন রবিউল আলম। এই সময়ে সেখানে অবস্থান করা নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে রবিউলের নানা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এই সময়ে দোকানের সামনে দুইপক্ষের লোকজন জড়ো হন। তখন দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে রবিউলসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত রবিউলকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
রবিউলের নিকটাত্নীয় মো. লিটন জানান, নুরুন্নবী ও মঈনউদ্দিন মিলে রবিউলকে আঘাত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল।
এ ব্যাপারে নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, জমি জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে আজ বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে মির্জানগরে দুইপক্ষের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এক পর্যায়ে মৃত রবিউলের বিপক্ষের লোকজনের সুইসগেয়ারের আঘাতে রবিউল আলম আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রবিউল মারা যান। নিহত ব্যক্তির পেটে , ঘাড়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনও থানায় মামলা হয়নি।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মির্জানগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রবিউল আলম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। আজ বুধবার দুপুর ১২ টায় মির্জানগরের একটি চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বরুড়া উপজেলার মির্জানগর গ্রামে রবিউল আলমের সঙ্গে একই গ্রামের নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিলো। গত তিনমাস আগে এ নিয়ে এলাকাবাসী সালিস করে বিরোধ মিটিয়ে দেন। এরপরেও তাঁরা বিভিন্ন সময়ে একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। আজ বুধবার দুপুরে মির্জানগরের একটি চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন রবিউল আলম। এই সময়ে সেখানে অবস্থান করা নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে রবিউলের নানা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এই সময়ে দোকানের সামনে দুইপক্ষের লোকজন জড়ো হন। তখন দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে রবিউলসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত রবিউলকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
রবিউলের নিকটাত্নীয় মো. লিটন জানান, নুরুন্নবী ও মঈনউদ্দিন মিলে রবিউলকে আঘাত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল।
এ ব্যাপারে নুরুন্নবী ও মঈন উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, জমি জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে আজ বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে মির্জানগরে দুইপক্ষের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এক পর্যায়ে মৃত রবিউলের বিপক্ষের লোকজনের সুইসগেয়ারের আঘাতে রবিউল আলম আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রবিউল মারা যান। নিহত ব্যক্তির পেটে , ঘাড়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনও থানায় মামলা হয়নি।