নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপির সেই আলোচিত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।

প্রচারণার সময় তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই শেষে আমি মনোনয়ন ফিরে পেয়েছি। ধানের শীষ ফিরে পেয়ে এই এলাকার জনগণ খুশি হয়েছেন। আমাদের হাতে এখন সময় কম। আগামী ১০-১২দিনে আমরা প্রচার চালিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করব। তিনি বলেন, দলের প্রতিশ্রুতির বাইরে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে কাজ করব। এছাড়া আমি কারো উপকার না করতে পারি ক্ষতি করা আমার চরিত্রে নেই।
উল্লেখ্য, শুরুতে এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়াকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। অন্যদিকে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া দলীয় প্রত্যয়নপত্র ছাড়াই শুরুতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, যা ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল হয়েছিল। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যান। ব্যাংক তার ঋণ পুনঃতফসিল করে। এছাড়া গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিলের দিনই দলের মহাসচিবের স্বাক্ষর করা চূড়ান্ত প্রত্যয়নপত্র পাওয়ায় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার পথ সুগম হয়। ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তাঁকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের বিএনপির সেই আলোচিত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।

প্রচারণার সময় তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই শেষে আমি মনোনয়ন ফিরে পেয়েছি। ধানের শীষ ফিরে পেয়ে এই এলাকার জনগণ খুশি হয়েছেন। আমাদের হাতে এখন সময় কম। আগামী ১০-১২দিনে আমরা প্রচার চালিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করব। তিনি বলেন, দলের প্রতিশ্রুতির বাইরে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে কাজ করব। এছাড়া আমি কারো উপকার না করতে পারি ক্ষতি করা আমার চরিত্রে নেই।
উল্লেখ্য, শুরুতে এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়াকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। অন্যদিকে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া দলীয় প্রত্যয়নপত্র ছাড়াই শুরুতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, যা ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল হয়েছিল। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যান। ব্যাংক তার ঋণ পুনঃতফসিল করে। এছাড়া গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিলের দিনই দলের মহাসচিবের স্বাক্ষর করা চূড়ান্ত প্রত্যয়নপত্র পাওয়ায় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার পথ সুগম হয়। ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তাঁকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।