নিজস্ব প্রতিবেদক

শরিকদের জন্য সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লায় জামায়াতের দুই প্রার্থী। তাঁরা হলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে উত্তর জেলা জামায়াতের আমির মু. সাইফুল ইসলাম ও কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মোশারফ হোসেন। এর মধ্যে দেবীদ্বারে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহকে জামায়াত সমর্থন দেয়। অন্যদিকে চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের সোলাইমান খাঁনকে জামায়াত আসন ছাড় দেয়।
চান্দিনা উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মোশারফ হোসেন জানান, নির্বাচন নিয়েছি। আমাদের মাঠও অনেকটা গোছানো ছিল। কিন্তু দল ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিসের সোলায়মান খাঁনকে আসনটি ছেড়ে দেয়। আমি দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছি। জোটে প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করব।
এদিকে এনসিপির সঙ্গে জোট করার পরদিনই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন কুমিল্লা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. সাইফুল ইসলাম।

শরিকদের জন্য সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লায় জামায়াতের দুই প্রার্থী। তাঁরা হলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে উত্তর জেলা জামায়াতের আমির মু. সাইফুল ইসলাম ও কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মোশারফ হোসেন। এর মধ্যে দেবীদ্বারে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহকে জামায়াত সমর্থন দেয়। অন্যদিকে চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের সোলাইমান খাঁনকে জামায়াত আসন ছাড় দেয়।
চান্দিনা উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মোশারফ হোসেন জানান, নির্বাচন নিয়েছি। আমাদের মাঠও অনেকটা গোছানো ছিল। কিন্তু দল ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিসের সোলায়মান খাঁনকে আসনটি ছেড়ে দেয়। আমি দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছি। জোটে প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করব।
এদিকে এনসিপির সঙ্গে জোট করার পরদিনই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন কুমিল্লা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. সাইফুল ইসলাম।