নিজস্ব প্রতিবেদক

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত। সংস্কৃতি অঙ্গণের নানা মানুষের পদচারণায় মুখর কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তন।
কথা, কবিতা, গানে আর স্মৃতিচারণে ৫৫ বছর আগের নানা গল্প তুলে ধরেন কুমিল্লা শহরের প্রাজ্ঞজনেরা। তাঁদের কথায় ফুটে ওঠে সত্তর—আশির দশকের কুমিল্লা শহরের সাংস্কৃতিক চর্চার কথা।
আমরা জ্যোৎস্নার প্রতিবেশীর উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠান হয়। মায়াবী জ্যোৎস্নার গল্প নামের এই অনুষ্ঠানে কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের প্রাণ জহিরুল হক দুলাল ও আলী হোসেন চৌধুরী।
স্মৃতিচারণ করেন প্রাবন্ধিক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, সংস্কৃতিজন ফখরুল ইসলাম রচি, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, কবি ফরিদ মাজহার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রেজাউল করীম শামীম, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও লেখক আনোয়ারুল হক, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসান ইমাম মজুমদার ফটিক, কুমিল্লা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শোয়েব সোহেল।
এতে আমরা জ্যোৎস্নার প্রতিবেশীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত। সংস্কৃতি অঙ্গণের নানা মানুষের পদচারণায় মুখর কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তন।
কথা, কবিতা, গানে আর স্মৃতিচারণে ৫৫ বছর আগের নানা গল্প তুলে ধরেন কুমিল্লা শহরের প্রাজ্ঞজনেরা। তাঁদের কথায় ফুটে ওঠে সত্তর—আশির দশকের কুমিল্লা শহরের সাংস্কৃতিক চর্চার কথা।
আমরা জ্যোৎস্নার প্রতিবেশীর উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠান হয়। মায়াবী জ্যোৎস্নার গল্প নামের এই অনুষ্ঠানে কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের প্রাণ জহিরুল হক দুলাল ও আলী হোসেন চৌধুরী।
স্মৃতিচারণ করেন প্রাবন্ধিক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, সংস্কৃতিজন ফখরুল ইসলাম রচি, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, কবি ফরিদ মাজহার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রেজাউল করীম শামীম, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও লেখক আনোয়ারুল হক, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসান ইমাম মজুমদার ফটিক, কুমিল্লা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শোয়েব সোহেল।
এতে আমরা জ্যোৎস্নার প্রতিবেশীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।